শিরোনাম
◈ ট্রাইব্যুনালে টবি ক্যাডম্যানের না থাকা নিয়ে আলোচনা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ◈ মাদ্রাসায় বেড়েছে ছুটি ◈ আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ জঙ্গল সলিমপুর: চার দশকের দখল, সন্ত্রাস ও রক্তে গড়া ৩০ হাজার কোটি টাকার ‘নিষিদ্ধ ভূখণ্ড’ ◈ ক্ষমতায় গেলে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়ার ঘোষণা জামায়াতে ইসলামীর ◈ ৫৭ হাজার টন গম নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন জাহাজ ◈ রাজধানীতে মিরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, ১৬ জন কর্মী আহত ◈ লন্ডন আর ঢাকায় থাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য নিয়ে যা বললেন জাইমা রহমান ◈ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ নিয়ে যে বার্তা দিলেন সিইসি ◈ জাতি কখনো দিশেহারা হলে জুলাই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে: প্রধান উপদেষ্টা 

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৩৮ বিকাল
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, ফাঁসলেন জাতীয় পার্টির রাঙ্গা

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে এক কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগ উঠেছিল, কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ কাছ থেকে রাঙ্গা ঘুষ নিয়েছিলেন।

রাঙ্গা ও পনিরের বিরুদ্ধে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে আজ সোমবার জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

সূত্রমতে, পনির উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকলেও মসিউর রহমান রাঙ্গা এক কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। প্রকৃতপক্ষে একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি ওই অর্থ নিয়েছিলেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, পনির উদ্দিন আহমেদ এম/এস জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরি ও হক স্পেশাল (পরিবহন প্রতিষ্ঠান) নামে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধীকারী। ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম শাখায় পনির উদ্দিন আহমেদের হক স্পেশাল হিসাব থেকে ব্যাংকটির রংপুর শাখায় মসিউর রহমান রাঙ্গার হিসাবে ২০ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়।

এছাড়া, ২০১৮ সালের নভেম্বরে সোনালী ব্যাংকের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে চার কিস্তিতে দেড় কোটি টাকা রাঙ্গার সোনালী ব্যাংক সংসদ ভবন শাখার হিসাবে জমা দেন পনির।

পরবর্তীতে ওই লেনদেনের তথ্য আড়াল করার চেষ্টা হয়, যা দণ্ডবিধির ১৬১, ১৬৫ ও ১০৯ ধারা; দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়েছে, উঠে আসে তদন্তে।

দুদক মহাপরিচালক বলেন, 'তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।' উৎস: ডেইলি স্টার।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়