শিরোনাম
◈ হালিশহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, দগ্ধ পরিবারের ৯ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু ◈ রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০৮ রাত
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য এবার ভোটের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে

মনিরুল ইসলাম : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি মাঠে থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ভোটের আগে চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পরে দুই দিনসহ মোট ৭দিন। নির্বাচন ও গণভোট ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। 

আজ বুধবার এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা পৌনে ১৩ কোটি। ৩০০ আসনে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে দুই লাখ ৬০ হাজারের মতো ভোটকক্ষ থাকবে। আর গোপন বুথ থাকবে প্রায় চার লাখ। প্রাথমিক সভায় প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য রাখার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৭ লাখের বেশি সদস্য এবার ভোটের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য মাঠে থাকবে সশস্ত্র বাহিনীর ৯০ হাজারের বেশি সদস্য। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন সাড়ে ৫ লাখের মতো আনসার-ভিডিপি সদস্য। গ্রামপুলিশ বা দফাদাররা প্রতিটি কেন্দ্রে ৭ দিনের জন্য এবং প্রান্তিক ভিডিপি সদস্যরা প্রশিক্ষণসহ মোট ৮ দিনের জন্য নিয়োজিত থাকবেন।

পাশাপাশি দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড। বিজিবি ও র‌্যাব মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে এবং প্রয়োজনে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করতে পারবে। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৩ জন পুলিশ এবং মেট্রোপলিটন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৪ জন পুলিশ সদস্য অস্ত্রসহ নিয়োজিত থাকবেন।

ভোটগ্রহণের দিন এবং তার আগে ও পরে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবে। এ ছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচল এবং ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব লাইসেন্সধারী ব্যক্তির অস্ত্র বহন ও প্রদর্শনও নিষিদ্ধ থাকবে।

গত ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোটের তফশিল ঘোষণা করার পরদিন সম্ভাব্য একজন প্রার্থী গুলিবিদ্ধ হন। এরপর দুটি নির্বাচনি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সার্বিক পরিস্থিতিতে সিইসি, ইসি, সচিবসহ রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়।
তফশিল ঘোষণার আগে দুই দফা এবং তফসিলের পর বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। এর পরই ‘আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এ পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়