শিরোনাম
◈ বিরতির পর আবারও শুরু বাংলাদেশ-ভারত আলোচনা, তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে তৎপরতা ◈ এশিয়ার অধিকাংশ মুদ্রা দুর্বল, ডলারের বিপরীতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশি টাকা ◈ যুদ্ধের মধ্যেই জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ইরানি নেতাদের ভিসা দিল যুক্তরাষ্ট্র ◈ দিল্লিতে ভয়াবহ ঘটনা: পচে যাওয়া মরদেহ উদ্ধারের পর বেরিয়ে এলো কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা, দেহের অংশ খেয়ে ফেলে কুকুরে ◈ টিসিবির ডিলারশিপ ফিরে পেতে বাণিজ্যমন্ত্রীর গাড়ি আটকালেন আন্দোলনকারীরা ◈ বাঁশের ৭ গুণ, যা শুধু গাছ নয় পরিবেশ ও মানুষের জীবনে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ◈ ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরে পেমেন্টের টাকা তাৎক্ষণিক জমা দেওয়ার নির্দেশ ◈ আওয়ামী লীগের তৎপরতা ঘিরে ভীষণ চাপের মুখে পুলিশ ◈ বাব আল-মানদাবে হুতিদের দখল, পিছু হটছেন ট্রাম্প? ◈ ছয় মাস পর চালু, একদিন না যেতেই ফের বন্ধ সিইউএফএল

প্রকাশিত : ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০১:৪৭ দুপুর
আপডেট : ১৩ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাছ-মাংস খাওয়া কমেছে, বেড়েছে ভাত খাওয়া

ডেস্ক রিপোর্ট : উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে দেশে গ্রাম এলাকার মানুষের খাদ্যের ধরনে পরিবর্তন হয়েছে। দাম বেড়ে যাওয়ায় গ্রামের নিম্ন আয়ের মানুষেরা মাছ-মাংসের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমিয়েছেন। এর বিপরীতে তারা ভাতের মতো শর্করাজাতীয় খাবার গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়েছেন। বিআইডিএসের বার্ষিক উন্নয়ন সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশনে গতকাল এসব তথ্য তুলে ধরেন বিআইডিএসের গবেষকেরা। 

সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য টেনে বিআইডিএসের মহাপরিচালক বিনায়ক সেন বলেন, একটা দাবি ছিল যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের নিচে। কিন্তু আমরা দেশের ৬৪ জেলায় জরিপ করে পেয়েছি, তখন খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১৫ শতাংশের বেশি ছিল। এর প্রধান ভুক্তভোগী গ্রাম এলাকার দরিদ্র মানুষেরা। তারা মাছ-মাংসসহ প্রয়োজনীয় প্রোটিন খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত বছরের অক্টোবর–ডিসেম্বর তিন মাসে দেশের ৬৪টি জেলার ৬৪টি গ্রামের ৩ হাজার ৮৮৭টি পরিবারের ওপর জরিপ চালিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে বিআইডিএস। জরিপে মোট ১১ ধরনের খাদ্যপণ্যের দাম হিসাব করা হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, ২০২২ সালের অক্টোবর–ডিসেম্বর প্রান্তিকের চেয়ে ২০২৩ সালের একই সময়ে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে। 

বিআইডিএসের গবেষণা সহযোগী রিজওয়ানা ইসলাম জানান, উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে গ্রাম এলাকার দরিদ্র মানুষেরা তাদের খাদ্যের ধরন পাল্টেছেন। তারা মাছ-মাংসের মতো অধিকাংশ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ কমিয়েছেন। যেমন আগে গ্রামের অনেকে রুই-কাতলার মতো মাছ খেলেও এখন তারা তেলাপিয়া ও পাঙাশের মতো কম দামের মাছ কিনছেন। আবার গরু বা খাসির মাংস খাওয়া কমিয়ে ফার্মের মুরগি ও ডিম খাওয়া বাড়িয়েছেন। তবে এ সময় মাছ-মাংস খাওয়া কমলেও বেড়েছে ভাত খাওয়ার পরিমাণ। 

বিআইডিএসের গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২২ সালে গ্রামের মানুষ দৈনিক মাথাপিছু ৩৪৯ গ্রাম ভাত গ্রহণ করলেও তা পরের বছর বেড়ে ৩৯৪ গ্রাম হয়েছে। অন্যদিকে ২০২২ সালে যেখানে দৈনিক মাথাপিছু ১০ গ্রাম গরুর মাংস খেতেন, সেখানে গত বছর তা কমে ৪ গ্রামে নেমেছে। এই সময়ে মাথাপিছু দৈনিক ফল খাওয়ার পরিমাণ ৯১ গ্রাম থেকে কমে ২৬ গ্রাম হয়েছে। 

সুত্র : ঢাকা পোষ্ট

  • সর্বশেষ