শিরোনাম
◈ পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে নিঃস্বার্থ সেবা দেয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ◈ রমজানে বড় ইফতার পার্টির আয়োজন না করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী  ◈ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে: ইসি ◈ রমজানে অফিস সময় ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা  ◈ প্রধানমন্ত্রী নিজের রচিত দু’টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন ◈ শেখ হাসিনার কারাগার বিষাক্ত গ্যাস চেম্বার: রিজভী  ◈ আর্জেন্টিনার ক্লাব ছেড়ে আবাহনীতে যোগ দিচ্ছেন জামাল ভূঁইয়া (ভিডিও) ◈ গজল গায়ক পঙ্কজ উদাসের অনুষ্ঠানেই প্রথম উপার্জন শাহরুখ খানের  ◈ ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে ভোট গ্রহণ চলছে

প্রকাশিত : ০৭ নভেম্বর, ২০২৩, ০৯:২৬ রাত
আপডেট : ০৭ নভেম্বর, ২০২৩, ০৯:২৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফ্যাসিবাদের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না: সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ

শহীদুল ইসলাম: [২] পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত সমাবেশে এ কথা বলেন সাংবাদিক নেতারা। 

[৩] সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল হাইকোর্টের সামনে কদম ফোয়ারা, তোপখানা রোড, পল্টন মোড় ঘুরে প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। 

[৪] ডিইউজের সভাপতি মো. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ খানের উপস্থাপনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজের) সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, ডিইউজের সাবেক সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী। 

[৫] প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল আমিন গাজী বলেন, ২৮ তারিখের সমাবেশকে পন্ড করার জন্য পুলিশ ও আওয়ামী লীগ পূর্বপরিকল্পিতভাবে  হামলা করে বিরোধীদলকে দমন করার নামে সাংবাদিককে হত্যা করেছে। এ সরকার সাগর রুনিসহ অসংখ্য সাংবাদিককে হত্যা ও নির্যাতন করেছে। আমরা সরকারকে বলতে চাই ফ্যাসিবাদের পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না। এ আন্দোলনের সবাইকে শরীক হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

[৬] কাদের গনি চৌধুরী বলেন, যখন আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি তখন দেশে বাক স্বাধীনতা নাই। সাগর রুনি হত্যাসহ সাংবাদিক নির্যাতনে কোন বিচার হয় নাই। এ সরকার যখন ক্ষমতায় আসে তখনই মিডিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। আজকে দেশে পুলিশি শাসন চলছে। নিরীহ মানুষকে হয়রানি করছে। এ দেশকে বাঁচাতে হলে সাংবাদিক, পেশাজীবী সকলকে আন্দোলনে এগিয়ে আসতে হবে। 

[৭] শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা এমন একটি সময় সমাবেশ করছি যখন সাংবাদিকরা মামলা হামলা জর্জরিত। এ সরকার সাংবাদিকদের কন্ঠ বন্ধ করছে। আজ সাংবাদিকরা রাজপথে নেমে নেমেছে কারণ দেশে লুটপাট,দুর্নীতি, হত্যা গুমের গণতন্ত্র চলছে। 

[৮] খুরশিদ আলম বলেন, আমার দেশ, দিনকাল, দিগন্ত টিভি সহ সত্যের পক্ষের মিডিয়া বন্ধ করেছে এ সরকার। শত শত সাংবাদিক বেকার হয়েছে। আমাদের এখন ঘরে বসে থাকার সময় নেই, যতদিন গণতন্ত্র পুনরুত্থান হবে না ততোদিন আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
 
[৯] বিক্ষোভে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট ড. মাহবুব হাসান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল হাসান খান, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি এ কে এম মহসিন, ডিইউজের সাবেক সহ-সভাপতি শাহীন হাসনাত, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক  ড. সাদিকুল ইসলাম স্বপন, ফেনী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সিদ্দিক  আল মামুন, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি এহতেশামুল হক শাওন, ডিইউজের যুগ্ম সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার, কোষাধ্যক্ষ খন্দকার আলমগীর হোসাইন, প্রচার সম্পাদক আবুল কালাম প্রমুখ। সম্পাদনা: তারিক আল বান্না

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়