শিরোনাম
◈ গাজায় যুদ্ধবিরতি হলেও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ হবে না:ইসরায়েল ◈ চার মাসের মধ্যেই প্রাথমিকে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ◈ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দিবসটির গুরুত্ব বাড়াতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেবেন, আশা জি এম কাদেরের ◈ সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে না: আইনমন্ত্রী ◈ ফিলিস্তিনের বিপক্ষে অপতথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ◈ গাজায় যুদ্ধ নয়, গণহত্যা চলছে ইসরায়েল: লুলা দা সিলভা ◈ গ্রামীণ টেলিকমসহ তার প্রতিষ্ঠানগুলোর লভ্যাংশ কাউকে দেয়া যায় না: ড. ইউনূস   ◈ মুখ খুলে মানুষ গণতন্ত্রের কথা বলতে পারছে না: ড. ইউনূস  ◈ স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ শুরু হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০২ মার্চ, ২০২৩, ১০:৫১ রাত
আপডেট : ০২ মার্চ, ২০২৩, ১০:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবন বদলে দিতে পারে আব্দুল্লাহ মামুনের লেখা বই ‘সম্পর্ক’

হোসাইন মোহাম্মদ, (দিদার): সম্পর্ক শব্দটি ছোট হলেও এর গভীরতা অতলান্তিক। সম্পর্ক শব্দের সঙ্গে খুব অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে মানবজাতির জীবনকথা। সম্পর্ক ছাড়া মানুষ অচল। 

বলছি কথাসাহিত্যিক ও কবি আব্দুল্লাহ আল মামুনের কথা। তিনি কবি,কথাসাহিত্যিক ও একজন চাটার্ট একাউন্টেন্ট ব্যক্তি। তার লেখায় বহুমাত্রিক লেখার ফলন হয় একথা নির্দ্ধিধায় বলা যায়।

তবে এবার  অমর একুশে বইমেলা-২৩  লেখকের 'সম্পর্ক' নামে একটি প্রবন্ধ সংকলন বের হয়েছে শব্দশৈলী প্রকাশনা থেকে। তিনি মুক্তি, বিলাসিতা, শিক্ষকের মর্যাদা, দুনিয়া হলো পরীক্ষাক্ষেত্র, ধর্মান্ধতা, ক্ষমার প্রতিদান, নগন্য দুনিয়া, বন্ধুত্ব ও স্বচ্ছতা নামে প্রায় পঞ্চাশটি প্রবন্ধ লিখেছেন।  

তার লেখা পড়তে গিয়ে আমার অতীত জীবনের ভুল ধরা পড়লো, মনে হলো আমি এক আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আছি আর সেই আয়নায় আমার ভিতরে চিত্র ফুটে ওঠছে।
তিনি তার রচিত সম্পর্কনামক এই বইয়ে বেশ কিছু প্রবন্ধ লিখেছেন যা পাঠকের ঘটে যাওয়া অতীত জীবনের ভুল গুলো ধরা পড়বে সহজে যা কখনো অতীতে অনুভূত হয়নি।

তিনি কিছু প্রবন্ধে সহি হাদিসের উদ্ধৃত দিয়েও পাঠককে বুঝাতে চেষ্টা করেছেন যাতে পাঠক বিভ্রান্ত না হয়ে সহজে বুঝতে ও বিশ্বাস করতে সক্ষম হোন।

এই যুগে এসে পাঠকের চাহিদা পরিবর্তন হয়েছে, পাঠক এখন কাল্পনিক অস্তিত্ব নির্ভর পুস্তক থেকে কিছুটা হলেও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। সেই হিসেবে আমি মনে করি লেখকের এই বইটি কিছু কিছু পাঠকের মনের খোরাক হয়ে ধরা দিবে।

তিনি তার লেখায় বলেছেন, ক্ষণিকের এই জীবনের মরিচিকায় পড়ে যেন পাপাচারের লিপ্ত না হয়ে পরকালের কথা ভুলে না যাই। জীবনকে অন্যরকম ভাবে রাঙিয়ে নিতে কিংবা একজন খাঁটি মানুষ হতে হলে এই ধরনের বইয়ের বিকল্প নেই। আবার যাদের ধর্মের প্রতি বিশ্বাসে ঘাটতি আছে তাদের জন্য এই বইটি ভাবনার কাঁটা হতে পারে। কিন্তু ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষের অশান্ত হৃদয়ের  জন্য প্রশান্তি জাগাবে এই বই।

এই লেখকের ইতিমধ্যে কিছু বই আলোর মুখ দেখেছে, যা লেখক হিসেবে অনেক খুশির সংবাদ। ভালো ক্যারিয়র গড়তে তার রচিত সিএ জীবনের গল্প ও সিএ কীভাবে পড়ব পাঠক মহলে ব্যাপক সমাদৃত হওয়ার পথে। লেখক স্বপ্ন দেখেন মানুষ একদিন হানাহানি ভুলে যাবে, ফিরবে সমাজ ও দেশে শান্তি। শেষ করছি বইয়ের ফ্ল্যাপে লেখকের  মূল্যবান একটি উদ্বৃত্ত দিয়ে—এভাবে হয়তো একদিন পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধন সুদৃঢ় হবে এবং অস্থিরতা কাটিয়ে সমাজে শান্তি ফিরবে।

প্রতিনিধি/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়