শিরোনাম
◈ আসিয়ান কাপ থেকে আগেই বাংলা‌দে‌শের বিদায়, এবার ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে সান্ত্বনার লড়াই  ◈ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ◈ গঙ্গা পানি চুক্তি কারিগরি আলোচনা চলছে: ভারত ◈ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিনটি গাড়িতে আগুন (ভিডিও) ◈ অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা ◈ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ ◈ কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও জনসেবায় ড্রোনে এগোচ্ছে ভারত, উচ্চ দাম ও জটিলতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ! ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪০১ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-মাদক উদ্ধার ◈ কী লাগবে টিসিবির কার্ড পেতে, কারা পাবেন ◈ বাড়ি ফেরার পথে স্কুলশিক্ষিকাকে জোর করে অটোরিকশায় তোলার চেষ্টা, শিক্ষার্থী-স্থানীয়দের প্রতিরোধ

প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৯:৩২ রাত
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ১১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে ফেসবুক লাইভে নিজের সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেললেন যুবক

বাদশা মিয়া

নিউজ ডেস্ক: বড্ড অভাবের সংসারে ৬ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় বাদশা মিয়া। তিনি নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেছিলেন ২০১৪ সালে। পড়াশোনা করে চাকরির জন্য এতো কাল চারদিকে চেষ্টা করেও চাকরি না পেয়ে বড্ড হতাশ হয়ে ফেসবুক লাইভে নিজের কষ্টার্জিত শিক্ষা জীবনের সব একাডেমিক সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেলেন তিনি। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফেসবুক লাইভে তিনি এই কাণ্ড ঘটান। আরটিভি

স্থানীয়রা জানান, বাদশা মিয়া ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দরখাতা গ্রামের বাসিন্দা মহুবার রহমানের ছেলে। পাঙ্গা চৌপতি আব্দুল মজিদ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২০০৭ সালে দাখিল (বিজ্ঞান বিভাগ) জিপিএ ৩.৯২, ২০০৯ সালে সোনাখুলি মুন্সিপাড়া কামিল মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ ৪.০৮ পেয়ে পাস করেন বাদশা। ২০১৪ সালে নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে (পদার্থ বিজ্ঞান) স্নাতক সম্পন্ন করেন। তবে অভাবের কারণে স্নাতকোত্তর করতে পারেননি। বাংলা ট্রিবিউন 

ফেসবুক লাইভে এসে বাদশা বলেন, কত মানুষ ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে কাজ করে খাচ্ছে। আর আমি তিন তিনটি সনদ পেয়েও সরকারি, বেসরকারি চাকরি জোগাড় করতে পারিনি। সার্টিফিকেট মূলে আমার চাকরির বয়স শেষ, এখন এগুলো দিয়ে কী করবো? তাই বাধ্য হয়ে ছিঁড়ে ফেললাম। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় আমি। আট সদস্যের পরিবারে আমি একটা বোঝা।

তিনি আরও বলেন, আমার মা-বাবা অনেক কষ্ট করে আমাকে বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। বেকার হওয়ায় ভাই-বোনদের কোনও আবদার পূরণ করা সম্ভব হয়নি। বৃদ্ধ বাবা-মার অথর্ব সন্তান হিসেবে কাউকে মুখ দেখাতে পারি না। অর্থের অভাবে ব্যবসা করারও সামর্থ্য নেই। তাই সার্টিফিকেট রেখে লাভ কী? ফেসবুক লাইভ

বাদশার বাবা মহুবার রহমান (৫৬) বলেন, তার চাকরির বয়স শেষ হওয়ায় বেশ কিছু দিন থেকে মানসিক বিষাদে ভুগছে। কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ সে সার্টিফিকেটগুলো ছিঁড়ে ফেলেছে।

এই বিষয়ে ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, চাকরির বিষয়টি কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। তাই তার চাকরির ব্যবস্থা করতে পারবো না। তবে যুব উন্নয়নের আওতায় এনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যাবে। চাকরির পেছনে না ছুটে তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে পারেন। আরটিভি। রিপোর্ট: আলামিন শিবলী, সম্পাদনা: নাহিদ হাসান

  • সর্বশেষ