শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২৬, ১২:৪৩ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পড়াশোনার ফাঁকে ‘পার্ট-টাইম’ কিছু খুঁজছেন? দেখতে পারেন এই কাজগুলো

পড়াশোনার খরচ চালানো, পরিবারকে সহায়তা করা কিংবা ডিগ্রি শেষ হওয়ার আগেই নিজেকে চাকরির বাজারের উপযোগী করে তোলার চিন্তা এখন অনেক তরুণের। প্রচলিত টিউশনি নির্ভরতার বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীরা খুঁজছেন বৈচিত্র্যময় ও দক্ষতাভিত্তিক খণ্ডকালীন কাজ।

২০২৬ সালের ডিজিটাল ও করপোরেট বাস্তবতায় পড়াশোনা ঠিক রেখেও আয় ও কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, পার্ট-টাইম কাজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একাডেমিক সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পন্ন করাই শিক্ষার্থীর প্রধান লক্ষ্য—এ বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

advertisement

নিচে শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনাময় কয়েকটি পার্ট-টাইম কাজের ধরন তুলে ধরা হলো।

কনটেন্ট রাইটিং ও কপিরাইটিং: বাংলা ও ইংরেজিতে লেখার দক্ষতা থাকলে অনলাইন পোর্টাল, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞাপনী সংস্থা ও স্টার্ট-আপগুলোতে পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ রয়েছে। ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশন লেখা, ওয়েবসাইটের ব্লগ বা পণ্যের বিবরণ তৈরি—এ ধরনের কাজ ঘরে বসেই করা যায়। দক্ষতার ওপর নির্ভর করে মাসে প্রায় ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় সম্ভব।

advertisement

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে বড় ব্র্যান্ড—সবারই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনায় জনবল প্রয়োজন। পেজ ম্যানেজমেন্ট, পোস্ট শিডিউল, গ্রাহকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া—এসব কাজ নির্দিষ্ট সময় ধরে করা যায়। সাধারণত মাসে ৬ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ: টেলিকম, রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও আইটি খাতে পার্ট-টাইম কাস্টমার কেয়ার বা কল সেন্টার এজেন্ট হিসেবে শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ফোন বা লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে গ্রাহকের সমস্যার সমাধান করতে হয়। সন্ধ্যা বা রাতের শিফট থাকায় দিনের বেলা ক্লাস করার সুযোগ থাকে। আয় সাধারণত ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকার মধ্যে।

advertisement

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট (অন-ক্যাম্পাস ও অফ-ক্যাম্পাস)
বাণিজ্য মেলা, বইমেলা, করপোরেট সেমিনার, কনসার্ট বা ব্র্যান্ড প্রমোশনে স্বল্পমেয়াদি জনবল প্রয়োজন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়েও অন-ক্যাম্পাস পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ থাকে। সাধারণত ৩ দিন থেকে ১ মাসের চুক্তিভিত্তিক কাজ। প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং: ডিজিটাল কনটেন্টের চাহিদা বাড়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং জানলেও কাজ পাওয়া সম্ভব। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানার, শর্ট ভিডিও এডিট, প্রেজেন্টেশন তৈরি—এসব স্কিলভিত্তিক কাজের জন্য দেশি-বিদেশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে দূর থেকে কাজ করা যায়। মাসে ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা বা তার বেশি আয় করা সম্ভব, প্রজেক্টের ওপর নির্ভর করে।

পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ খুঁজতে বিডিজবসের পার্ট-টাইম বিভাগ, লিঙ্কডইন, ফেসবুকভিত্তিক ক্যারিয়ার গ্রুপ ও বিভিন্ন ইন্টার্নশিপ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে।

ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিগ্রি শেষে একেবারে নতুন হিসেবে চাকরির বাজারে প্রবেশের চেয়ে পার্ট-টাইম কাজের অভিজ্ঞতা থাকা প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকেন। এতে আয় যেমন হয়, তেমনি করপোরেট সংস্কৃতি, সময় ব্যবস্থাপনা ও পেশাদার দক্ষতার বাস্তব অভিজ্ঞতাও অর্জিত হয়।


পড়াশোনার খরচ চালানো, পরিবারকে সহায়তা করা কিংবা ডিগ্রি শেষ হওয়ার আগেই নিজেকে চাকরির বাজারের উপযোগী করে তোলার চিন্তা এখন অনেক তরুণের। প্রচলিত টিউশনি নির্ভরতার বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীরা খুঁজছেন বৈচিত্র্যময় ও দক্ষতাভিত্তিক খণ্ডকালীন কাজ।

২০২৬ সালের ডিজিটাল ও করপোরেট বাস্তবতায় পড়াশোনা ঠিক রেখেও আয় ও কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, পার্ট-টাইম কাজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একাডেমিক সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পন্ন করাই শিক্ষার্থীর প্রধান লক্ষ্য—এ বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

নিচে শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনাময় কয়েকটি পার্ট-টাইম কাজের ধরন তুলে ধরা হলো।

কনটেন্ট রাইটিং ও কপিরাইটিং: বাংলা ও ইংরেজিতে লেখার দক্ষতা থাকলে অনলাইন পোর্টাল, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞাপনী সংস্থা ও স্টার্ট-আপগুলোতে পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ রয়েছে। ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশন লেখা, ওয়েবসাইটের ব্লগ বা পণ্যের বিবরণ তৈরি—এ ধরনের কাজ ঘরে বসেই করা যায়। দক্ষতার ওপর নির্ভর করে মাসে প্রায় ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে বড় ব্র্যান্ড—সবারই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনায় জনবল প্রয়োজন। পেজ ম্যানেজমেন্ট, পোস্ট শিডিউল, গ্রাহকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া—এসব কাজ নির্দিষ্ট সময় ধরে করা যায়। সাধারণত মাসে ৬ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ: টেলিকম, রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও আইটি খাতে পার্ট-টাইম কাস্টমার কেয়ার বা কল সেন্টার এজেন্ট হিসেবে শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ফোন বা লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে গ্রাহকের সমস্যার সমাধান করতে হয়। সন্ধ্যা বা রাতের শিফট থাকায় দিনের বেলা ক্লাস করার সুযোগ থাকে। আয় সাধারণত ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকার মধ্যে।

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট (অন-ক্যাম্পাস ও অফ-ক্যাম্পাস)
বাণিজ্য মেলা, বইমেলা, করপোরেট সেমিনার, কনসার্ট বা ব্র্যান্ড প্রমোশনে স্বল্পমেয়াদি জনবল প্রয়োজন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়েও অন-ক্যাম্পাস পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ থাকে। সাধারণত ৩ দিন থেকে ১ মাসের চুক্তিভিত্তিক কাজ। প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং: ডিজিটাল কনটেন্টের চাহিদা বাড়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং জানলেও কাজ পাওয়া সম্ভব। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানার, শর্ট ভিডিও এডিট, প্রেজেন্টেশন তৈরি—এসব স্কিলভিত্তিক কাজের জন্য দেশি-বিদেশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে দূর থেকে কাজ করা যায়। মাসে ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা বা তার বেশি আয় করা সম্ভব, প্রজেক্টের ওপর নির্ভর করে।

পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ খুঁজতে বিডিজবসের পার্ট-টাইম বিভাগ, লিঙ্কডইন, ফেসবুকভিত্তিক ক্যারিয়ার গ্রুপ ও বিভিন্ন ইন্টার্নশিপ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে।

ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিগ্রি শেষে একেবারে নতুন হিসেবে চাকরির বাজারে প্রবেশের চেয়ে পার্ট-টাইম কাজের অভিজ্ঞতা থাকা প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকেন। এতে আয় যেমন হয়, তেমনি করপোরেট সংস্কৃতি, সময় ব্যবস্থাপনা ও পেশাদার দক্ষতার বাস্তব অভিজ্ঞতাও অর্জিত হয়।

 

  • সর্বশেষ