শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সিফাতের অভিযোগ, তদন্তে উঠে এলো নতুন তথ্য ◈ জিপ লাইন-জায়েন্ট সুইংয়ে নতুন আকর্ষণ, পর্যটকে জমজমাট খাগড়াছড়ি ◈ ৩১ বছরেও জাতীয় গ্রিডে আসেনি ভোলার গ্যাস ◈ সংকটে পড়া ব্যাংকে পুরোনো শেয়ারধারীদের ফেরার সুযোগ বাতিল হচ্ছে ◈ ৬ মাস ধরে শিশুকে যৌ.ন নির্যাতনের অভিযোগ, মাদরাসার শিক্ষকসহ গ্রেফতার ৫ ◈ শারীরিক অবস্থার উন্নতি, বাসায় ফিরলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ◈ বেনসন-স্টার-ডার্বির নকল মোড়ক, মিরপুরে কারখানায় অভিযান ◈ চীনের অর্ডার সরছে, মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জ-সুযোগ ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৫ কোটি টাকার স্বর্ণের বার জব্দ ◈ রাজধানীর কাফরুলে অপহৃত ৭ বছরের শিশু শরীয়তপুরে উদ্ধার, নারী গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০২ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ২২ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে কম বয়সে ও অধূমপায়ীদের মধ্যেও বাড়ছে ফুসফুসের ক্যানসার

এতদিন ধারণা করা হতো, ফুসফুসের ক্যান্সার মূলত বয়সে বড় বা ধূমপায়ী ব্যক্তিদেরই হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা দেখাচ্ছে, যুবক-যুবতী এবং ধূমপান না করা মানুষরাও এই ভয়ানক রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই কম বয়সীদের মধ্যে কেন এই রোগ দ্রুত বাড়ছে, তার প্রাথমিক লক্ষণ কী, এবং কীভাবে সুস্থ থাকা সম্ভব সেগুলো নিয়ে এখন সচেতন থাকা জরুরি।

কম বয়সীদের ফুসফুস ক্যান্সারের কারণ-

পরিবেশগত দূষণ:
ফুসফুসের ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো পরিবেশ দূষণ। মাটি ও পাথরের ইউরেনিয়াম ক্ষয়ে গিয়ে রেডন গ্যাস তৈরি হয়, যা ঘরের বাতাসেও থাকতে পারে। ঘরে দীর্ঘ সময় থাকার ফলে রেডন শ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে ফুসফুসে ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া শহরাঞ্চলে ফাইন পার্টিকুলেট ম্যাটার (PM2.5) রয়েছে, যা লাং ক্যানসারের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

জেনেটিক প্রবণতা:

পরিবারের কেউ যদি আগে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে থাকে, তবে জেনেটিক উপাদানের কারণে রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে। ধূমপান না করলেও এমন জেনেটিক প্রভাব ক্যানসারের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।

পরোক্ষ ধূমপান:

পরিবার বা আশেপাশের লোকের ধূমপান থেকে তৈরি ধোঁয়া শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করাও বিপজ্জনক। এতে সিগারেটের টক্সিন শরীরে প্রবেশ করে এবং ফুসফুসের ক্যানসার হতে পারে।

রান্নার ধোঁয়া:

কাঠ বা কয়লা ব্যবহার করে রান্নার ধোঁয়াও ফুসফুসে ক্ষতি করতে পারে। বিশেষ করে ঘরে প্রচলিত উনুনে রান্না করা মহিলাদের মধ্যে ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি দেখা যাচ্ছে।

যে লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হতে হবে:

  • দীর্ঘদিন ধরে কাশি যা ভালো হচ্ছে না
  • কফে রক্ত বা মরচে ধরণের স্পুটাম
  • হাঁটাহাঁটি বা সামান্য পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি
  • বুক ব্যথা বা নিশ্বাস নেওয়ায় কষ্ট
  • ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো সংক্রমণ যা দ্রুত ঠিক হচ্ছে না
  • অপ্রত্যাশিত ওজন কমে যাওয়া
  • অত্যধিক দুর্বলতা বা শক্তিহীনতা

প্রতিরোধ ও করণীয়:

ধূমপান এড়িয়ে চলুন এবং ধূমপায়ীদের কাছ থেকে দূরে থাকুন

দূষণ বেশি হলে মাস্ক ব্যবহার করুন, ঘরের বাতাস পরিষ্কার রাখুন, এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন
স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন এবং প্রতিদিন হালকা হাঁটা‑চলা করুন

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

কোনও উপসর্গ দেখা দিলে তড়িঘড়ি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন এবং ফুসফুস পরীক্ষা করান
কম বয়সেও ফুসফুসের ক্যানসার বাড়ছে তাই অবহেলা না করে সতর্কতা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা নিশ্চিত করা এখন অতীব জরুরি।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ