শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:৩০ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোর ৫টা নাকি সকাল ৭টা, কখন ঘুম থেকে ওঠা সবচেয়ে উপকারী?

সুস্থ থাকার জন্য ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। বিভিন্ন শাস্ত্রেও একই কথার উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ঘুম থেকে কেউ ভোর ৫টায় উঠতে পারেন। আবার কারও হয়তো সকাল ৭টায় ঘুম ভাঙে। কোন সময়ে ঘুম থেকে এঠা স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী?

৫টায় ঘুম ভাঙা

advertisement

দৈনিক কাজকর্মের সঙ্গে দেহের স্নায়ুতন্ত্র সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। তাই কেউ যদি ভোর ৫টায় ঘুম থেকে উঠতে শুরু করেন, কয়েক দিন পর দেখা যাবে অ্যালার্ম ছাড়াই তাঁর ঘুম ভেঙেছে। সময়ের সঙ্গে তখন সকালে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট অনুভূত হবে না।

ভোরে তন্দ্রাভাব থাকে বেশি। তাই ঘুম ভাঙে সহজে। তার ফলে শরীর ফুরফুরে থাকে। ভোরে পরিবেশ শান্ত থাকে। যার ফলে মনের উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যেও ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস উপকারী।

advertisement

৭টায় ঘুম ভাঙা

অন্য দিকে মনে রাখতে হবে, সকাল ৭টায় চারপাশে শব্দ বৃদ্ধি পায়। ৫টার তুলনায় ৭টার সময়ে ঘুম থেকে উঠছেন, এমন মানুষের সংখ্যাও হয়তো বেশি। কারণ, ব্যস্ত জীবনে সারা দিনের কাজ সেরে অনেকেই রাত করে ঘুমোতে যান। ফলে তাঁরা ভোরে ঘুম থেকে উঠতে পারেন না। দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার ফলে চারপাশের শব্দ এবং কোলাহল স্নায়ুতন্ত্রের উপরে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করে। অনেকেই তখন দৈনিক কাজের লক্ষ্যপূরণ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

advertisement

ব্যতিক্রম

ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ভাল। তবে চিকিৎসকদের দাবি, কে কখন ঘুম থেকে উঠছেন, তা তাঁর স্নায়ুতন্ত্রের উপর নেতিবাচক প্রভাব না-ও ফেলতে পারে। কারণ, যদি নিয়মিত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমোনো যায়, তা হলে শরীর নতুন করে নিজের প্রয়োজনীয় শক্তি তৈরি করে নেয়। এ বার কেউ যদি দেরিতে ঘুমোতে যান এবং দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন এবং সেই অভ্যাস যদি তাঁর স্বাভাবিক জীবননযাত্রার সঙ্গে মানিয়ে যায়, তা হলে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়।

সূত্র: আনন্দবাজার 

  • সর্বশেষ