শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পড়াশোনার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের ৮টি কার্যকরী ব্যবসায়িক ধারণা

ছাত্রজীবনকে এখন শুধু বই-পড়া বা ক্লাস-পরীক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয় না। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা, উদ্যোক্তা দক্ষতা ও অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করছেন। বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যম, ই-কমার্স ও সেবা ভিত্তিক ব্যবসার বিস্তারে ছাত্রজীবনেই নানা ধরনের ছোট ব্যবসা শুরু করা অনেক সহজ হয়েছে।

১. অনলাইন রিসেলিং বা ছোট ই-কমার্স ব্যবসা:

advertisement

ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে ছোট একটি পেজ খুলে পোশাক, কসমেটিকস, বই, গ্যাজেট বা হ্যান্ডমেড পণ্য বিক্রি করা যায়। ড্রপশিপিং মডেল হলে পণ্য নিজের কাছে রাখার প্রয়োজন হয় না। সঠিক মার্কেটিং ও গ্রাহক সেবা দিয়ে নিয়মিত আয় সম্ভব।

২. টিউশন বা ছোট টিউশন সেন্টার:

advertisement

এক বা দুইজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে ছোট টিউশন সেন্টার বা কোচিং ক্লাস চালিয়ে আয়ের পাশাপাশি নিজের বিষয় দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায়।

৩. গ্রাফিক ডিজাইন ও ডিজিটাল সার্ভিস:

advertisement

গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, মোশন গ্রাফিক্স বা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট শেখে Fiverr, Upwork বা স্থানীয় ক্লায়েন্টদের কাছে কাজ পাওয়া সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছোট স্টুডিও খুলেও ডিজাইন-প্রিন্টিং সার্ভিস চালানো যায়।

৪. কন্টেন্ট ক্রিয়েশন ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবসা:

ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ বা টিকটকে তথ্যবহুল বা বিনোদনধর্মী কন্টেন্ট তৈরি করে স্পনসরশিপ, অ্যাড রেভিনিউ ও প্রোডাক্ট প্রমোশনের মাধ্যমে আয় করা যায়।

৫. ফুড-বেইজড মাইক্রো বিজনেস:

কেক, বেকারি আইটেম বা হোস্টেল-মেসে খাবারের চাহিদা থাকে। ছোট কিচেন সেটআপ, ভালো প্যাকেজিং ও অনলাইন ডেলিভারি দিয়ে শুরু করা সম্ভব।

৬. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও ফটোগ্রাফি:

সেমিনার, ক্লাব ফেস্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আয় করা যায়। সঙ্গে ফটোগ্রাফি ও ভিডিও কভারেজ যুক্ত করলে ব্যবসা আরও লাভজনক হয়।

৭. অ্যাপ-ভিত্তিক বা ক্যাম্পাস সার্ভিস:

স্টেশনারি, প্রিন্টিং, লজিস্টিক, নোট সরবরাহ বা মেস-খাবার ডেলিভারি সেবা দিয়ে ক্যাম্পাসে ভালো আয় করা যায়।

৮. লেখালেখি, অনুবাদ ও একাডেমিক সার্ভিস:

ব্লগ রাইটিং, নিউজ রাইটিং, অনুবাদ, এসাইনমেন্ট গাইডলাইন, থিসিস প্রুফরিডিং বা ডেটা এন্ট্রি সার্ভিস দিয়ে ফ্রিল্যান্স কাজ করা যায়।

ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরু করার সুবিধা হলো ঝুঁকি কম, শেখার সুযোগ বেশি, আর উদ্যোক্তা মানসিকতা তৈরি হয় দ্রুত। সৃজনশীলতা, সময় ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতা থাকলেই ছাত্রজীবনেই সফল ব্যবসা শুরু করা সম্ভব।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ 

  • সর্বশেষ