শিরোনাম
◈ রমজানের ঘাটতি পূরণে ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় ◈ তেলআবিব, এইলাত বন্দর ও কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটিতে আবারও ইরানের বিধ্বংসী আঘাত ◈ জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত ◈ ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত, গ্রহণ করা হবে দায়মুক্তি অধ্যাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ জেট ফুয়েলের দাম এক ধাক্কায় বাড়ল ৮০ শতাংশ ◈ জি‌নে‌দিন জিদান বিশ্বকাপের পর ফ্রান্স দ‌লের কোচ হ‌চ্ছেন! ◈ ব্যর্থতার দায়ে সেভিয়ার কোচ মাতিয়াস আলমেদা বরখাস্ত  ◈ বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে সরকার : প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ ‘সারাদিনের তেল ৩ ঘণ্টায় শেষ’—সংকট নয়, বাড়তি চাহিদা, অতিরিক্ত মজুত না করার আহ্বান জ্বালানিমন্ত্রীর ◈ অনিয়মে অ্যাকশন, কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, তবে লক্ষ্য উন্নত সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৭ মার্চ, ২০২৪, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ১৭ মার্চ, ২০২৪, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে করণীয়

ডেস্ক রিপোর্ট: চলছে পবিত্র রমজান মাস। এ মাসে প্রতি বছর ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা রাখেন সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে। দীর্ঘ সময় পানি পান না করায় এবং ইফতারে পরিমাণমত পানি পান না করায় এ সময় হতে পারে খুব সহজেই পানিশূন্যতা।

পানিশূন্যতা হলে শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন, অতিরিক্ত মুখ বা ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। এর থেকে তৈরি হতে পারে নানা জটিলতা। নিয়মিত পরিমাণমতো পানি ও পানি জাতীয় খাবার খেলে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

রোজার সুস্থ ও পানিশূন্যতামুক্ত থাকতে চাইলে কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি-

>> ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত সময়ে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি খেতে হবে অবশ্যই। প্রতিবেলা খাওয়ার ১০ মিনিট আগে ও কিছুক্ষণ পরে ১ গ্লাস করে পানি খেতে হবে। খাওয়ার মাঝখানে পানি খাবেন না কিংবা একবারে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি খেয়ে ফেলবেন না। ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত শোষণ হয় বলে কুসুম গরম পানি পান করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন

 >> রোজায় সময় খাদ্য তালিকায় এমন খাবার রাখবেন যেগুলো সহজে হজম হয়। ভাজাপোড়া কিংবা রিচ ফুড শরীরকে আরও পানিশূন্য করে তোলে।

>> ইফতার মেন্যুতে পানিজাতীয় খাবার ও ফল রাখুন। বেশি করে খেতে পারেন শসা ও তরমুজ। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। সঙ্গে থাকতে পারে শরবত।

>> ডাবের পানি খেতে পারেন প্রতিদিন। প্রয়োজনে স্যালাইন খান।

>> প্রয়োজন ছাড়া রোদে যাবেন না কিংবা রোজা রেখে ভারি ব্যায়াম করতে যাবেন না। এতে ঘাম বেশি হয়ে পানিশূন্যতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা থাকে।

>> ইফতারের পর অতিরিক্ত চা কিংবা কফি খাওয়া অনুচিত।

>> অনেকেই ইফতারের পর ফ্রিজে রাখা অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করেন, এই বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

>> নিয়মিত গোসল করতে হবে, খুব খারাপ লাগলে চোখেমুখে পানির ঝাপ্টা দিতে পারেন।

>> টকদই ও লাচ্ছি যোগ করতে পারেন ইফতারে।

>> খেজুর, ফল, জুসের সঙ্গে ইফতারে রাখতে পারেন পান্তাভাত, যা সারাদিনের রোজার শেষে আপনার দেহে পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

>> ডায়রিয়া বা জ্বর বা অতিরিক্ত বমি হলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

>> গবেষণায় দেখা যায়, প্রচুর চিনি থাকায় মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে তৃষ্ণা বাড়ে। এর পরিবর্তে ফল খেতে পারেন, যা দেহে তরলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি তৃষ্ণাও মেটায়। সূত্র: আরটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়