শিরোনাম
◈ ইরান সংঘাত নিয়ে চাপে ট্রাম্প, যুদ্ধ শেষের পরামর্শ দিচ্ছেন উপদেষ্টারা: ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন ◈ আপাতত জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ◈ যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়নে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন ◈ জামিন করাতে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগের অভ্যন্তরীণ তদন্ত হবে: চিফ প্রসিকিউটর ◈ স্কুল-কলেজ কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করল সরকার ◈ এফএ কা‌পের সে‌মিফাইনা‌লে ওঠার লড়াই‌য়ে মুখোমুখি ম‌্যান‌চেস্টার সিটি ও লিভারপুল ◈ উ‌য়েফা চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লি‌গে রা‌তে বার্সেলোনার বিরু‌দ্ধে খেল‌বে নিউক্যাসল ◈ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের উপদেষ্টার পদায়ন চান জামায়াতের আমির ◈ ঈদের ছুটিতেও খোলা থাকবে কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশন ◈ ইরান যুদ্ধ থেকে ‘প্রস্থানের পথ’ খুঁজছে ইসরায়েল: ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ১৭ মার্চ, ২০২৪, ০৫:৩৭ সকাল
আপডেট : ১৭ মার্চ, ২০২৪, ০৫:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে করণীয়

ডেস্ক রিপোর্ট: চলছে পবিত্র রমজান মাস। এ মাসে প্রতি বছর ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা রাখেন সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে। দীর্ঘ সময় পানি পান না করায় এবং ইফতারে পরিমাণমত পানি পান না করায় এ সময় হতে পারে খুব সহজেই পানিশূন্যতা।

পানিশূন্যতা হলে শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন, অতিরিক্ত মুখ বা ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। এর থেকে তৈরি হতে পারে নানা জটিলতা। নিয়মিত পরিমাণমতো পানি ও পানি জাতীয় খাবার খেলে এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

রোজার সুস্থ ও পানিশূন্যতামুক্ত থাকতে চাইলে কিছু বিষয় মনে রাখা জরুরি-

>> ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত সময়ে দুই থেকে আড়াই লিটার পানি খেতে হবে অবশ্যই। প্রতিবেলা খাওয়ার ১০ মিনিট আগে ও কিছুক্ষণ পরে ১ গ্লাস করে পানি খেতে হবে। খাওয়ার মাঝখানে পানি খাবেন না কিংবা একবারে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি খেয়ে ফেলবেন না। ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত শোষণ হয় বলে কুসুম গরম পানি পান করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন

 >> রোজায় সময় খাদ্য তালিকায় এমন খাবার রাখবেন যেগুলো সহজে হজম হয়। ভাজাপোড়া কিংবা রিচ ফুড শরীরকে আরও পানিশূন্য করে তোলে।

>> ইফতার মেন্যুতে পানিজাতীয় খাবার ও ফল রাখুন। বেশি করে খেতে পারেন শসা ও তরমুজ। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। সঙ্গে থাকতে পারে শরবত।

>> ডাবের পানি খেতে পারেন প্রতিদিন। প্রয়োজনে স্যালাইন খান।

>> প্রয়োজন ছাড়া রোদে যাবেন না কিংবা রোজা রেখে ভারি ব্যায়াম করতে যাবেন না। এতে ঘাম বেশি হয়ে পানিশূন্যতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা থাকে।

>> ইফতারের পর অতিরিক্ত চা কিংবা কফি খাওয়া অনুচিত।

>> অনেকেই ইফতারের পর ফ্রিজে রাখা অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করেন, এই বদ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

>> নিয়মিত গোসল করতে হবে, খুব খারাপ লাগলে চোখেমুখে পানির ঝাপ্টা দিতে পারেন।

>> টকদই ও লাচ্ছি যোগ করতে পারেন ইফতারে।

>> খেজুর, ফল, জুসের সঙ্গে ইফতারে রাখতে পারেন পান্তাভাত, যা সারাদিনের রোজার শেষে আপনার দেহে পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

>> ডায়রিয়া বা জ্বর বা অতিরিক্ত বমি হলে নিজে নিজে ওষুধ না খেয়ে জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

>> গবেষণায় দেখা যায়, প্রচুর চিনি থাকায় মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে তৃষ্ণা বাড়ে। এর পরিবর্তে ফল খেতে পারেন, যা দেহে তরলের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি তৃষ্ণাও মেটায়। সূত্র: আরটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়