শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২২, ০৭:১২ বিকাল
আপডেট : ১৯ মে, ২০২২, ০৯:০২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইতিহাসবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন

গাফফার চৌধুরী ছিলেন বঙ্গবন্ধু-বাংলাদেশ ও বাঙালির মুক্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যের ভান্ডার

ইতিহাসবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন

ভূঁইয়া আশিক রহমান: [২] এই ইতিহাসবিদ আরও বলেন, আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর চলে যাওয়া আমাদের অনেক কিছু হারিয়ে যাওয়া। তাকে হারানোর বেদনা আমরা অনুভব করি। 

[৩] ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু যখন ৬ দফা উপস্থাপন করতে গিয়ে পারলেন না, তখন ৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায়, ঢাকায় আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী সম্পাদিত সান্ধ্য দৈনিক ‘আওয়াজ’ পত্রিকায় ৬ দফার মূল কথাগুলো বলা হয়েছিলো, জনমত গঠনে তা বিরাট ভূমিকা রেখেছিলো। 

[৪] ছোটবেলা থেকেই আমরা প্রভাতফেরিতে গাইতাম, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি...’ অমর এই সৃষ্টি তো তারই। আমার স্মৃতিতে তিনি ১৯৫২ সাল থেকেই আছেন। 

[৫] আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা ছিলো বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে। বঙ্গমাতাকে তিনি যতো গভীরভাবে চিনতেন, বাইরের আর কেউ এতো চিনতো কিনা জানি না। বঙ্গবন্ধুর একটি আত্মজীবনী শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে তিনি তৈরি করছিলেন, কিন্তু সেটা শেষ করতে পারেননি। 

[৬] ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীকে তার লেখা একটি দিয়েছিলেন, ছাপানোর জন্য। পুরো জীবনে বঙ্গবন্ধু একটি কবিতাই লিখেছিলেন। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ‘ধীরে বহে বুড়িগঙ্গা’ বইয়ে কবিতার প্রথম দুটি পঙতি লেখা আছে। অপর পঙতিগুলো অন্য উৎস থেকে আমি সংগ্রহ করেছি। 

[৭] আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী কলাম লিখেও আমাদের প্রাণিত করতেন। আমরা অনেক অজানা তথ্য পেতাম তার লেখা কলাম থেকে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়