শিরোনাম
◈ শতাধিক কারখানা বন্ধ, তবু সরকারি নীতিতে আসছে নতুন বিনিয়োগ ◈ কানাডার দাবানলের ধোঁয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, শুল্ক বাড়ানোর হুমকি ◈ কেন দিন দিন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে ঢাকা? ◈ জাহাজের আড়ালে চোরাই তেলের সিন্ডিকেট, মাদকের বিনিময়ে চলছে বাণিজ্য ◈ আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল: টিকিটের দামেই নতুন ইতিহাস ◈ লেবারের নেতৃত্বে অ্যান্ডি বার্নহাম, প্রথম ভাষণেই ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ ◈ নদীর পানি বাড়ছে, উত্তরাঞ্চল ও সিলেটে বন্যা নিয়ে সতর্কতা ◈ মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের গুঞ্জন, আলোচনায় একাধিক নতুন নাম ◈ ইরানে ট্রাম্পের ‘মহাপরিকল্পনা’ কি স্থল অভিযানের প্রস্তুতি? ◈ শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী তানিম রেজা বাপ্পি আটক

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:১২ বিকাল
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:১২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ মিয়ানমার ঐক্য সরকারের

দো জিন মার অং ও অং সান সুচি

ইমরুল শাহেদ: জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারে সহিংসতা বন্ধের জন্য গৃহীত প্রস্তাবে চীন কোনো বাধা না দেওয়ায় এবং মিয়ানমারের জনগণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য দেশটির জাতীয় ঐক্য সরকার চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। ইরাবতি

লুনার নিউ ইয়ার উপলক্ষে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক বার্তায় ঐক্য সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দো জিন মার অং বলেছেন, ‘মিয়ানমারের বেসামরিক লোকদের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে মিয়ানমারের পক্ষে পিপলস রিপাবলিক অব চীনের অবস্থান ও সমর্থনের জন্য আমরা (ঐক্য সরকার) কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

মিয়ানমারে সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ চেয়ে গত ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব গৃহীত হয়। সকল রাজবন্দীকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টিও প্রস্তাবে আছে। বিশেষ করে ডি-ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সুচি এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্তকেও মুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছ। আসিয়ান দেশগুলোর দেওয়া পাঁচ দফা প্রস্তাব বাস্তবায়নের জোর দেওয়া হয়েছে প্রস্তাবে। 

নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবটি আনে যুক্তরাজ্য এবং প্রস্তাবটির বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। চীন এবং রাশিয়া ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে। তারা নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে ভারতও। 

দো জিন মার বলেছেন, কোনো পক্ষ না নেওয়ার চীনের সিদ্ধান্ত মিয়ামারের জনগণের পক্ষেই গেছে। তারা মিয়ানমারের ভালো প্রতিবেশীর স্বাক্ষরও রেখেছে। চীনের এই অবস্থানকে মিয়ানমারের জনগণ সব সময়ই স্মরণে রাখবে। 

তিনি বেইজিংকে নিশ্চিত করে বলেন, ‘মিয়ানমারের জনগণের বিপ্লবের ফসল এবং ঐক্য সরকারের গ্লানি কখনোই আঞ্চলিক দেশগুলোর উন্নয়নের স্বার্থবিরোধী হবে না, এমনকি চীনের স্বার্থও বিঘ্নিত করবে না।’

এর সঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঐক্য সরকার ও মিয়ানমারের জনগণ কল্পিত ফেডারেল ন্যাশন ধারণা চীনসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে পৌঁছে দিতে চায়।’ আগামীতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে দেশটি সুসম্পর্ক চায় বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।   

আইএম/এসএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়