শিরোনাম
◈ সাগর খালি, ঘাট নীরব: কক্সবাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট ◈ প‌রিচালক নাজমুল বি‌সি‌বি থে‌কে পদত‌্যাগ না করা পর্যন্ত  মাঠে নামবেন না ক্রিকেটাররা: সংবাদ স‌ম্মেল‌নে কোয়াব সভাপ‌তি ◈ সাফ ফুটসাল চ‌্যা‌ম্পিয়ন‌শি‌পে বাংলা‌দে‌শের কা‌ছে পাত্তাই পে‌লো না ভারত ◈ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনায় তাড়াহুড়ো কেন, প্রশ্ন সিপিডির  ◈ অনির্দিষ্টকালের জন্য বিপিএল স্থগিত করলো বিসিবি ◈ ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা, ৫০ আসন ফাঁকা রেখেই সমঝোতা ১০ দলের! ◈ বিপিএলের ম্যাচ দেখতে না পারায় মিরপুর স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্ষুব্ধ জনতার ভাংচুর (ভিডিও) ◈ দাবি আদায়ে বারবার সড়ক অবরোধের প্রবণতা, দায় কার? ◈ রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিয়োগপ্রত্যাশী শিক্ষকদের কথা শুনলেন তারেক রহমান ◈ শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনঃতদন্তের নির্দেশ

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২২, ০১:২৫ দুপুর
আপডেট : ০১ অক্টোবর, ২০২২, ০৭:০২ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইউক্রেনকে দ্রুত ন্যাটোভুক্ত করে নিন: জেলেনস্কি

রাশিদুল ইসলাম: প্রথমে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া, তারপর গণভোটের আয়োজন, সবশেষে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা— ইউক্রেনের খেরসন, জাপোরিঝঝিয়া, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল ঘিরে এই ধারাবাহিকতায় এগিয়ে যাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার ক্রেমলিনে এক অনুষ্ঠানে ওই অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ার ‘নতুন অংশ’ হিসেবে ঘোষণার পর পুতিন স্বাক্ষর করেন এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্রে। পুতিন বলেন, যে কোনো উপায়ে অঞ্চলগুলো রক্ষা করা হবে, অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ কখনোই ছেড়ে দেবে না মস্কো। আরটি 

এদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইউক্রেনকে ন্যাটোভুক্ত করে নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন দেশিটির প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। এক টেলিগ্রাম পোস্টে তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে মিত্রতার মানদণ্ডের সঙ্গে আমাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছি। ন্যাটোতে দ্রুত যোগ দিতে ইউক্রেনের আবেদনে স্বাক্ষর করে আমরা দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছি।

২০১৪ সালের মার্চেও একই পথে হেঁটেছিল রাশিয়া। সে বছর ইউক্রেনের ক্রিমিয়া অঞ্চল দখল করে নেয় মস্কো। পরে গণভোটের মধ্য দিয়ে ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দেন পুতিন। তবে ক্রিমিয়া দখলে রক্ত ঝরেছিল খুবই কম। আর রাশিয়া পুরো অঞ্চলটিই দখল করতে পেরেছিল। এবারের চিত্র ভিন্ন। দোনেৎস্ক ও লুহানস্কের বড় অংশ ২০১৪ সাল থেকে মস্কোপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাতে ছিল। গত সাত মাসের যুদ্ধে দোনেৎস্কের ৬০ শতাংশ অঞ্চল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে এনেছে রুশ বাহিনী। কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ লিমান শহর অল্প কিছু সময়ের মধ্যেই রুশ বাহিনীর হাতছাড়া হতে পারে। অপরদিকে জাপোরিঝঝিয়ার রাজধানী এখনো ভালোভাবেই ইউক্রেনীয়দের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যদিও রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা আরেক অঞ্চল খেরসনের খুব কাছাকাছি রয়েছেন ইউক্রেনের সেনারা। 

চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি যাবে রুশ পার্লামেন্টের উভয়কক্ষে। নিম্নকক্ষ ডুমায় এই চার অঞ্চলকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করতে সংবিধান সংশোধন বিল পাস করা হবে। সেখান থেকে যাবে পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ ফেডারেশন কাউন্সিলে। সেখানে পাস হলে যাবে পুতিনের কাছে। এরপর তিনি তাতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন। আগামী শুক্রবার পুতিনের ৭০তম জন্মদিন। এর আগেই সব প্রক্রিয়া শেষ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়