শিরোনাম
◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি ◈ চার জেলার ২৯ বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের, অগ্রাধিকার পাবে গাড়ি ও জ্বালানি খাত ◈ সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, চলছে নিরাপত্তা যাচাই ◈ পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা-সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন? ◈ বিশ্বে প্রথমবার মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাস শনাক্ত, ফ্রান্সে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ বিফ‌লে গে‌লো ইংল‌্যা‌ন্ডের ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরী, ৪২৯ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার রেকর্ড জয়  ◈ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চাইতে থানায় রুমিন ফারহানা, ওসির সাথে তুমুল বাগবিতণ্ডা (ভিডিও) ◈ থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০ জন ◈ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ!’

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০২:৩৭ দুপুর
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২৬, ০৬:৩৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘সাময়িক ঝড় ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন মুছে দিতে পারবে না’

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর বলেছেন, দু’দেশের সম্পর্কে সাময়িক মেঘ বা ঝড় এলেও তা ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধনকে মুছে দিতে পারবে না।

রোববার (৪ অক্টোবর) বে অব বেঙ্গল কনফারেন্সে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এম জে আকবর বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই সভ্যতাগত রাষ্ট্র। বাংলাদেশের পরিচয় কোনো কৃত্রিমভাবে তৈরি রাষ্ট্রের পরিচয় নয়; বরং ভাষার শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি সভ্যতাগত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

তিনি বলেন, দু’দেশের সম্পর্কের মধ্যে উত্থান-পতন থাকবেই। দু’দেশের মধ্যে যেসব প্রশ্ন ও সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানের ক্ষেত্রে সবসময় শুধু ‘কী সম্ভব’ এই প্রশ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ‘কেন এটি অসম্ভব’ এই প্রশ্নটিও করতে হবে। তাহলেই নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে যেতে পারে।

সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে এম জে আকবর বলেন, সার্বভৌমত্ব যদি সম্মানিত না হয়, তাহলে বিশ্ব ক্রমবর্ধমান বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

Advertisement

বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ ও সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো যুদ্ধকে অবৈধ বলা হলে তার উৎস ও পটভূমি খুঁজে দেখা জরুরি। বিংশ শতাব্দী ছিল তিনটি বিশ্বযুদ্ধের শতাব্দী। ঠান্ডা যুদ্ধকেও তিনি এক ধরনের বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করেন। ইউরোপে এটি হয়তো ঠান্ডা ছিল, কিন্তু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকায় এর প্রভাব মোটেও ঠান্ডা ছিল না। এসব সংঘাতকে বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়েছিল পুরো পৃথিবী সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল বলে নয়; বরং বিশ্বের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে পরাশক্তি ও সাম্রাজ্যগুলোর মধ্যে সংঘাত তৈরি হয়েছিল বলে।

একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধের ধরন আগের তুলনায় ভিন্ন বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ের যুদ্ধকে একটি একক বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে দেখা যায় না; বরং এটি বিশ্বব্যাপী চলমান ধারাবাহিক সংঘাত। এসব যুদ্ধ একটানা চলে না, পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হয়, কিন্তু পুরোপুরি থেমেও যায় না।

 

  • সর্বশেষ