শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:৩৪ সকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাশিয়া থেকে ভারত, পাঁচ দেশ পেরিয়ে নতুন রেলপথের প্রস্তাব

সমুদ্রপথের ঝুঁকি এড়িয়ে সরাসরি ভারত মহাসাগরে পৌঁছানো এবং ভারতের সঙ্গে স্থলপথের যোগাযোগ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক নতুন রেল রুট তৈরির প্রস্তাব বিবেচনা করছে রাশিয়া। 

সম্প্রতি রুশ সংবাদসংস্থা তাস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এমন ধারণার কথা জানান দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী মারাত খাসনুলিন। 

advertisement

রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী জানান, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জলপথ—বিশেষ করে বসফরাস প্রণালি এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা ও ঝুঁকি কমাতে বিকল্প স্থলপথ অনুসন্ধান করা উচিত। 

এই লক্ষ্যে রাশিয়া থেকে শুরু হয়ে তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান অতিক্রম করে ভারতে পৌঁছাবে—এমন একটি সম্ভাব্য দূরপাল্লার রেল রুট তৈরির প্রস্তাব বিবেচনা করছে মস্কো। 

advertisement

খাসনুলিন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ভারতের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি করে এমন যেকোনো বিকল্প রুটই তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। 

উল্লেখ্য, প্রস্তাবটি বর্তমানে একেবারেই শুরুর প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এই মুহূর্তে রাশিয়া-ভারতের মধ্যে কোনো যাত্রীবাহী ট্রেন, নির্দিষ্ট সময়সূচী, টিকিটের মূল্য বা চালুর তারিখের মতো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। 

advertisement

এ ভাবনার মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথগুলোর ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো। বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং এলএনজি চালানের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এ সব গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হলে তা এড়াতেই রাশিয়া এমন বিকল্প স্থলপথের কথা চিন্তা করছে। 

ভারত ও রাশিয়ার জন্য সম্ভাব্য গুরুত্ব 

এটি বাস্তবায়িত হলে সমুদ্রপথের ওপর শতভাগ নির্ভর না করে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের পণ্য পরিবহনের একটি শক্তিশালী বিকল্প পথ খুঁজে পাবে মস্কো। অন্যদিকে, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া এবং রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের মধ্যকার স্থলভাগের বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বহুগুণ শক্তিশালী হবে।

পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই বিস্তৃত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে সরাসরি স্থলপথে যাতায়াত এবং পর্যটন খাতের প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। 

  • সর্বশেষ