আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়ি-নিক বলেছেন, আধ্যাত্মিক শক্তি, জনসমর্থন এবং আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে ইরান আজ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শীর্ষ শক্তিতে পরিণত হয়েছে এবং বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
মেহর নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এক সাক্ষাৎকারে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইসলামী বিপ্লবের শহীদ নেতার চিন্তাধারার ভূমিকা তুলে ধরে তালায়ি-নিক বলেন, ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ভিত্তি গড়ে উঠেছে ধর্মীয় বিশ্বাস, আধ্যাত্মিক শক্তি এবং সফট পাওয়ারের ওপর। --- পার্সটুডে
তিনি বলেন, আল্লাহর প্রতি দৃঢ় ঈমান, শাহাদাতের আদর্শ, সাহসিকতা এবং জনগণের সমর্থন ইরানের প্রতিরক্ষা শক্তির প্রধান ভিত্তি। এসব উপাদানের সঙ্গে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, আধুনিক অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জামের উন্নয়ন যুক্ত হয়ে দেশটির জন্য একটি শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলেছে।
ইমাম খোমেনি (রহ.) এবং শহীদ ইমাম খামেনেয়ীর (রহ.) প্রতিরক্ষা দর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসলামী বিপ্লবের দুই নেতার চিন্তাধারায় ধর্মীয় মূল্যবোধ, জনগণকে প্রতিরক্ষায় সম্পৃক্ত করা এবং ঈমানের শক্তিকে সামরিক সক্ষমতার মূল ভিত্তি হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তালায়ি-নিক আরও বলেন, ইমাম খোমেনির পথ অনুসরণ করে শহীদ ইমাম খামেনেয়ী বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা দর্শন ও কৌশলগত নেতৃত্বের কাঠামো রেখে গেছেন। এতে প্রতিরক্ষা নীতি, কৌশলগত নেতৃত্ব এবং সাংস্কৃতিক, আধ্যাত্মিক ও সামাজিক শিক্ষার সমন্বয় ঘটেছে, যা ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এই প্রতিরক্ষা দর্শন ও কৌশলগত নেতৃত্বের প্রতি আস্থা অতীতে ইরানের বিভিন্ন সাফল্য নিশ্চিত করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।