নিজের স্বামীকে মায়ের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখার পর ২২ বছর ধরে চলা পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছেন এক নারী। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের জীবনের এই অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তার দাবি, মাত্র ১৫ বছর বয়সে এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১৭ বছর বয়সে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে দুজন একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। সন্তানের জন্মের পর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। পরে পরিবারের সম্মতিতে দাদার বাড়িতে নতুন সংসার গড়ে তোলেন। সময়ের সঙ্গে তাদের চার সন্তানের জন্ম হয় এবং দীর্ঘদিন স্বাভাবিকভাবেই সংসার চলছিল।
তবে কয়েক দিন আগে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বাড়ি ফিরে বাবার বাড়িতে গিয়ে তিনি এমন একটি দৃশ্য দেখেন, যা তার জীবন ওলটপালট করে দেয়। তার দাবি, সেখানে তিনি নিজের স্বামী ও মাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস করতে না পারলেও পরে স্বামী স্বীকার করেন, প্রায় ২২ বছর ধরে শাশুড়ির সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্য, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর তার মা অনুতপ্ত না হয়ে উল্টো তাকে অপমান করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে স্বামীর কাছ থেকে সম্পর্কের বিষয়টি স্বীকারোক্তি শোনার পর তিনি আরও দাবি করেন, বিয়ের পর তার মায়ের যেসব সন্তানের জন্ম হয়েছে, তাদের পিতৃত্ত নিয়েও তার সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পুরো বিষয়টি তিনি তার বাবাকে জানান। এরপর তার বাবা স্ত্রীকে ডিভোর্স দেন। অন্যদিকে ওই নারীও স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে সন্তানদের নিয়ে আলাদা বসবাস শুরু করেন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন