অনলাইনে দৈনন্দিন জীবনের খুঁটিনাটি তুলে ধরে আড়াই বছরে ১০ কোটি রোজগার। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়কে ভিডিয়োর সাহায্য চলমান কাহিনিতে পরিণত করেছেন তরুণী। জীবনের লক্ষ্য ও গল্প ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন এই তরুণী। শুধু তাই নয় নিজের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। এমনকি স্বামীকেও চাকরি দিয়েছেন তরুণী। সমাজমাধ্যমে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে।
ইনস্টাগ্রামে খ্যাতনামী বিষয়স্রষ্টা অ্যালেক্স পেত্রাকিয়েভা জানিয়েছেন, সমাজমাধ্যমে তাঁর জীবনের নানা মুহূর্ত শেয়ার করেই তিনি মাত্র আড়াই বছরে ১০ লাখ ডলারের (ভারতীয় মুদ্রায় ১০ কোটিরও বেশি) বেশি আয় করেছেন। সম্প্রতি একটি পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন ভাইরাল হওয়ার জন্য ছোটার বদলে তিনি নিজের লক্ষ্য, কাজ এবং ব্যক্তিগত উন্নতির দিকেই মনোযোগ দিয়েছিলেন। আর সেটিই তাঁর সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
অ্যালেক্সের মতে, তিনি জীবনের প্রতিটি ধাপকে একটি চলমান গল্পের মতো তুলে ধরেছেন। এর ফলে দর্শকের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, নিয়মিত ভিডিয়ো প্রকাশ করা সহজ হয়েছে। এর ফলে একটি সফল ব্যবসা গড়ে উঠেছে তাঁর। নতুন নতুন সুযোগ খুঁজে নেওয়ার স্বাধীনতা পেয়েছেন বিষয়স্রষ্টা তরুণী।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তাঁর একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই বিষয়বস্তু তৈরির যাত্রায় বড় মোড় আসে। মাত্র দু’মাসের মধ্যেই তিনি প্রথম বড় ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি করেন। একটি ভিডিয়ো তৈরি করে ৬০০ ডলার আয় করেন। এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি নিজের ডিজিটাল পণ্য বাজারে আনেন। ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ তাঁর আয় দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার ডলার। পরের বছর নিজের কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অ্যালেক্স। পুরোপুরি বিষয়স্রষ্টা হিসাবে অনলাইন ব্র্যান্ডিংয়ের ব্যবসায় মন দেন। ব্যবসা আরও বড় করার জন্য তাঁর স্বামীও চাকরি ছেড়ে দেন। স্ত্রীর ব্যবসায় যোগ দেন তিনি।