শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে দারিদ্র্যঝুঁকিতে আরও ২ কোটি ৩৪ লাখ শিশু: ইউনিসেফ ◈ ফিফার শাস্তির মুখে আর্জেন্টিনা? বিতর্কে মুখ খুললেন দুই তারকা ◈ যেসব অঞ্চলে সকালের মধ্যে ঝড় হতে পারে  ◈ আরও শক্তিশালী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ছাড়াল ৩৬.৬৬ বিলিয়ন ডলার ◈ আবারও ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস, অনুমোদন মন্ত্রিসভার ◈ নৌবাহিনী প্রধান হলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল মিসবাহ উল আজীম ◈ থামছে না গণপিটুনি, ছয় মাসে প্রাণ গেল ১৩৩ জনের ◈ প্রচারণায় কোটি ডলার, তবু মার্কিন তরুণদের মন জয় হলো না ইসরাইলের ◈ সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা অর্ধেকে কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার ◈ বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন

প্রকাশিত : ১৭ জুলাই, ২০২৬, ০১:৫৭ রাত
আপডেট : ১৭ জুলাই, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফ্ল্যাটে স্বামীর মরদেহ, রক্তাক্ত সন্তান; ফোনে ব্যস্ত স্ত্রীকে ঘিরে প্রশ্ন

একটি সুরক্ষিত আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাটে থেকে আহত সন্তানসহ এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে অন্য ঘটনায়।

ঘটনাস্থলে স্বামীর নিথর দেহ পড়ে থাকলেও পাশে শুয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেছে তার স্ত্রীকে।

ভারতের কর্ণাটকের ধারওয়াড়ে রাঙ্কা স্টেলো অ্যাপার্টমেন্টসে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি বলছে, নিহত চিকিৎসকের নাম ডা. কিরণ হোনান্নাভার (৪৫)। তিনি পেশায় অ্যানেস্থেটিস্ট ছিলেন।

পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার রাত থেকে স্বজনদের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ফ্ল্যাটে গিয়ে দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় জোর করে ভেতরে প্রবেশ করেন। ঘরে ঢুকে তারা দেখতে পান, ডা. কিরণ মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

আর অন্য একটি কক্ষে তার ৮ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে ছেলেটিকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে।

কর্ণাটক বিশ্ববিদ্যালয় রোড এলাকায় অবস্থিত ভবনটিতে নিরাপত্তাবেষ্টিত হওয়ায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটে বাইরের কেউ প্রবেশ করেনি। এ ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. প্রিয়াঙ্কাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে হুবলি-ধারওয়াড় পুলিশের কমিশনার এন শশিকুমার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের থাকতে পারে। তবে হত্যার সঠিক কারণ ও ঘটনার ধারাবাহিকতা এখনো নিশ্চিত নয়।

পুলিশের বরাতে এনডিটিভি বলছে, ঘটনার পর ফ্ল্যাটের ভেতরের একটি ভিডিওতে ডা. কিরণকে একটি কক্ষে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। অন্য একটি কক্ষে আহত ছেলেটিকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। একই কক্ষে ডা. প্রিয়াঙ্কাকে বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

স্বজনরা পুলিশকে জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকেই তারা ডা. কিরণের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন।

এ বিষয়ে পুলিশ কমিশনার জানান, ফোন ঠিকই ধরেছিলেন ডা. প্রিয়াঙ্কা। তবে তিনি বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। প্রথমে বলেন, স্বামী বিশ্রাম নিচ্ছেন; পরে বলেন, তিনি বাইরে গেছেন।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ডা. প্রিয়াঙ্কাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মনে হয়েছে এবং তার বক্তব্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অ্যাপার্টমেন্টের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে এবং উভয় পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়