শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক সদর দপ্তর ‘দি অক্টাগন’ উদ্ভোধন করল মিশর ◈ ‌বিশ্বকা‌পে এবার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা কতদূর যাবে,জা‌নি‌য়ে দি‌লো সুপারকম্পিউটার  ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নতুন পরিকল্পনা ◈ বিশ্বের ১০ জনবহুল দেশের ৮টিই নেই বিশ্বকাপে: কেন পিছিয়ে বাংলাদেশ-ভারত? ◈ মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা জারি ◈ আওয়ামী লীগের বিচার কিভাবে করতে চাইছে সরকার ◈ মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত হলে নিষিদ্ধ হতে পারে আওয়ামী লীগ: চিফ প্রসিকিউটর ◈ ট্রাম্প-পুতিন ৯০ মিনিটের ফোনালাপ, যে কথা হলো ◈ হামের সংক্রমণ অব্যাহত, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ◈ করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর, জারি ৪ নির্দেশনা

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৬, ০৮:২১ রাত
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নোবেল না পাওয়ায় অনুষ্ঠানের মঞ্চে ট্রাম্পের রসিকতা

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রসিকতার ছলে আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেছেন, তিনি অন্তত আটটি যুদ্ধ মিটমাট করলেও তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়নি। ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল মলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নিজের পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য ও কূটনৈতিক তৎপরতার বিবরণ দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

আমেরিকানদের বিভিন্ন আবিষ্কার, অগ্রগতি এবং সেই সাথে গান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে দেশটির আধিপত্যের কথা তুলে ধরার সময় ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমেরিকানরা বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে সবচেয়ে বেশি অলিম্পিক মেডেল এবং সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কার জিতেছে। এর পরপরই তিনি আক্ষেপের সুরে যোগ করেন, তবে, তারা আমাকে একটিও দেয়নি।

ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে ‘আটটি যুদ্ধ’ মিটমাট করা সত্ত্বেও তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়নি; যদিও এটি তার প্রায়শই বলা একটি অতিরঞ্জিত দাবি। উল্লেখ্য, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য এবং শান্তিতে মানবজাতির সর্বোচ্চ কল্যাণে অবদানের জন্য এ পর্যন্ত ৪২০ জনেরও বেশি মার্কিন নাগরিক নোবেল পেয়েছেন, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।

এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি নিয়ে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের আগ্রহ রয়েছে। এমনকি নিজের দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুর দিকের অনেকটা সময় তিনি শান্তি পুরস্কার পাওয়ার জন্য প্রকাশ্যে তদবিরও করেছিলেন। গত জানুয়ারিতে তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের যোগ্য আর কেউ নেই।

তবে শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো। গত জানুয়ারিতে তিনি তার মেডেলটি ট্রাম্পকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও নোবেল কমিটি দ্রুতই স্পষ্ট করে দেয় যে, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রতীকী বিষয় মাত্র। সেসময় এক বিবৃতিতে কমিটি জানায়, পদক বা পুরস্কারের অর্থ যার কাছেই যাক না কেন, ইতিহাসে প্রকৃত বিজয়ী হিসেবে মূল প্রাপকের নামই লিপিবদ্ধ থাকবে।

কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্টের এই আকাঙ্ক্ষার কথা হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিদের বেশ ভালোভাবেই জানা। গত আগস্টে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের এক সাবেক সহযোগী জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প এই পুরস্কারটিকে তার ঐতিহাসিক পরিচয়ের ‘চূড়ান্ত স্বীকৃতি’ হিসেবে বিবেচনা করেন। ইতিহাসে এ যাবত কেবল দুজন ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোবেল পেয়েছেন—১৯২০ সালে উড্রো উইলসন এবং ২০০৯ সালে বারাক ওবামা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়