শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৬, ০৪:৩১ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে বন্ধু দেশগুলোকে বিশেষ সুবিধার ইঙ্গিত ইরানের

সমঝোতা স্মারকের আওতায় হরমুজ প্রণালিতে ৬০ দিন (আলোচনা চলাকালে) টোল আদায় হবে না। এরপর কী হবে তা নিয়ে অস্পষ্টতা আছে। চীনে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেছেন, প্রণালিটি যেহেতু তাদের জলসীমার অংশ তাই সেখানে অবশ্যই জাহাজ চলাচলে ফি নির্ধারণ করা হবে।

বেইজিংয়ে ওয়ার্ল্ড পিস ফোরামে রাষ্ট্রদূত আব্দুলরেজা রহমানি ফাজলি শনিবার বলেন, জলপথটির জন্য নতুন নীতিমালা তৈরির জন্য তাঁর দেশ ওমানের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করছে। সেখানে সার্ভিস ফি ধার্য করা হবে। তবে এই ফি কোনো টোল নয়।

advertisement

বক্তব্যে আব্দুলরেজা রহমানি উল্লেখ করেন, ‘যেসব দেশ আমাদের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন ছিল এবং বিশেষ করে কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছিল, তাদের জন্য আমরা অবশ্যই বিশেষ সুবিধার কথা বিবেচনা করব।’

ফি ধার্য করার কারণ হিসেবে ইরানি রাষ্ট্রদূত জানান, ওমানের সঙ্গে মিলে যে নতুন নীতিমালা বা ব্যবস্থা তৈরি করা হবে সেটির লক্ষ্য প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। জাহাজগুলোর চলাচল তদারকি এবং বিপুল সংখ্যক যানের যাতায়াতের ফলে সৃষ্ট পরিবেশগত প্রভাব মোকাবিলার জন্য ওই ফি ধার্য করা হবে।

advertisement

যুদ্ধবিরতির পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ধরনের অর্থ আদায়ের চেষ্টার বিরোধীতা করে আসছে। সাধারণত বিশ্বের মোট উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।

সমঝোতা বা প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর ইরান এই জলপথ থেকে তাদের অবরোধ তুলে নিয়েছে। বর্তমান দুই দেশ ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা করছে। এই ৬০ দিনে জাহাজ থেকে কোনো ফি আদায় করা হবে না।

advertisement

 

  • সর্বশেষ