শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২৬, ০২:১৭ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে ৫২ হাজার কোটি রুপির অস্ত্র কেনার অনুমোদন ভারতের

প্রায় ৫২ হাজার কোটি রুপি সমমূল্যের বেশ কয়েকটি সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ (ডিএসি)। সশস্ত্র বাহিনীর জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এবং অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার লক্ষ্যে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর মূল লক্ষ্য হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোনবিধ্বংসী সরঞ্জাম, নজরদারি ও চালকবিহীন ব্যবস্থা জোরদার করা।

advertisement

ভারতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই অনুমোদন হলো প্রথম ধাপ। এই ধাপের মাধ্যমে ক্রয়ের জন্য নীতিগত অনুমতি মেলে। এরপর রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি), বাণিজ্যিক মূল্যায়ন এবং চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনার মতো পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়ে থাকে।

নতুন ক্রয়প্রস্তাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য আকাশ তরঙ্গ অ্যান্টি-আনম্যানড অ্যারিয়াল ভেহিকল (ইউএভি) ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, ম্যান পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল (এমপিএটিজিএম) সিস্টেম, মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (এমআরএসএএম) বা মাঝারি পাল্লার ভূপৃষ্ঠ থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, ভেরি শর্ট-রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (ভি-শোরেডস), ট্যাংকের জন্য অ্যাক্টিভ প্রটেকশন সিস্টেম (এপিএস) এবং জেট-চালিত কামিকাজে ড্রোন সিস্টেম ক্রয়ের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

advertisement

আকাশ তরঙ্গ ব্যবস্থাটি শত্রুপক্ষের ড্রোন থেকে সেনাবাহিনীকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইউএভি বা চালকবিহীন বিমানের বিরুদ্ধে সুরক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এই সরঞ্জামটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হবে।

এ ছাড়া এমপিএটিজিএম ব্যবস্থাটি সাঁজোয়া যানের হুমকি মোকাবেলায় পদাতিক বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

advertisement

আর এমআরএসএএম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বিভিন্ন ধরনের আকাশপথের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা প্রদান করবে।

ভি-শোরেডস ব্যবস্থাটি মাল্টি-স্পেকট্রাল সেন্সর দ্বারা সুসজ্জিত থাকবে, যা শত্রুপক্ষের পাল্টা প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কার্যকরী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এপিএস প্রযুক্তির কারণে অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে সুরক্ষা পাওয়ায় ট্যাংকের টিকে থাকার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

অন্যদিকে, জেট-চালিত কামিকাজি ড্রোন ব্যবস্থা কম খরচে অধিক কার্যকারিতা ও টিকে থাকার ক্ষমতার পাশাপাশি আরও উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সক্ষমতা নিশ্চিত করবে।

এদিকে ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য মাল্টি ইনফ্লুয়েন্স গ্রাউন্ড মাইন (এমআইজিএম), নেভাল শিপবর্ন আনম্যানড অ্যারিয়াল সিস্টেম (এনএসইউএএস) এবং ইলেকট্রিক প্রপালশন ব্যবস্থার জন্য একটি ল্যান্ড-বেসড টেস্টিং ফ্যাসিলিটি (এলবিটিএফ) কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এই মাইনগুলো শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ভারতীয় নৌবাহিনীকে সমুদ্র-অবরোধ সক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করবে এবং ভারতীয় জলসীমায় শত্রুদের চলাচল সীমিত করবে। এনএসইউএএস-এর উন্নত সেন্সর ব্যবস্থার কারণে তা সামুদ্রিক নজরদারি সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

ভারতীয় বিমানবাহিনীকেও (আইএএফ) একটি ফিক্সড-উইং হাই-অল্টিটিউড সিউডো স্যাটেলাইট (এফডব্লিউ-এইচএপিএস) কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিমানবাহিনীর আরো কয়েকটি ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে বিমানবাহিনীর আইএসআর (ইন্টেলিজেন্স, সারভেইলেন্স অ্যান্ড রিকনেসান্স বা গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি ও অনুসন্ধান), টেলিযোগাযোগ এবং রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

 

  • সর্বশেষ