শিরোনাম
◈ ইরানের ড্রোন ঠেকাতে হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লেজার অস্ত্র’ : নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন ◈ জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের আসল কাজ কী? (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে প্রবাসীদের কটূক্তি ও হেনস্তার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি

প্রকাশিত : ২৫ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাক সেনাপ্রধানকে হত্যার ছক কষেছিল মোসাদ, দাবি ব্রাজিলিয়ান সাংবাদিকের

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলাকালে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরসহ পুরো পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলকে হত্যার চক্রান্ত করেছিল ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। ব্রাজিলের অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক পেপে এসকোবার সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

পাকিস্তানের সরকার বা সেনাবাহিনী এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে দেশটির সাংবাদিকেরা এই দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও তথ্যপ্রমাণহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এদিকে ইসরায়েলও এ বিষয়ে মুখ খোলেনি।

ইন্টারনেট ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার মারিও নাওফালের পডকাস্টে অংশ নিয়ে পেপে এসকোবার দাবি করেন, নেতানিয়াহুর সরাসরি নির্দেশে মোসাদ এই হত্যাচেষ্টার ছক কষেছিল। তবে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা (আইএসআই) অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্যটি আগেই জেনে ফেলে।

এসকোবারের দাবি অনুযায়ী, এই ষড়যন্ত্রের কথা জানার পর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আরেক মধ্যস্থতাকারী দেশের (ওমান) মাধ্যমে ইসরায়েলকে সরাসরি একটি বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় বলা হয়েছিল—‘আপনারা যদি আমাদের প্রতিনিধিদলের গায়ে হাত দেন, তবে আমরা আপনাদের (ইসরায়েল) পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে দেব।’

advertisement

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তান শুরু থেকেই প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। দুই দেশের প্রাথমিক চুক্তিটি ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। এই সমঝোতা স্মারকের ওপর পরবর্তী উচ্চপর্যায়ের আলোচনার জন্য জেনেভায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে সেনাপ্রধান আসিম মুনিরও প্রতিনিধিদলের অংশ ছিলেন।

ইসরায়েল অবশ্য এই চুক্তির তীব্র সমালোচনা করে আসছে, কারণ, তাদের এই আলোচনার বাইরে রাখা হয়েছিল। এ ছাড়া লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক আগ্রাসনও এই শান্তিচুক্তি ভেস্তে দেওয়ার হুমকি তৈরি করেছে।

মোসাদের এই হত্যার ষড়যন্ত্রের দাবিকে বানোয়াট ও অপপ্রচার বলে উড়িয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানি সাংবাদিকেরা। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য কারেন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ তালাত হুসাইন এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ অর্থহীন কথা। এর মধ্যে বিন্দুমাত্র সত্যতা নেই।’ একটি শীর্ষ পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্র এই দাবিকে ‘বিকৃত অপপ্রচার’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

 

  • সর্বশেষ