শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৪ জুন, ২০২৬, ০৬:৩২ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা ঘাটতি ছিল বড় ভুল: হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্ত সুরক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নে বেড়া নির্মাণে দীর্ঘ বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গসহ সীমান্তঘেঁষা সব রাজ্যে একই সময়ে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ না নেওয়া ছিল একটি ‘ঐতিহাসিক ভুল।’ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ১৯৮৫ সালের আসাম চুক্তির পর আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হলেও একই সময়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া অন্য রাজ্যগুলোকে একই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

advertisement

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আসামের ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। আসাম চুক্তি স্বাক্ষরের পর আসাম-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছিল এবং সে অনুযায়ী কাজও শুরু হয়েছিল। তবে তখন মেঘালয়, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গেও একইভাবে সীমান্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হয়নি।’ তাঁর ভাষায়, ‘আমাদের দাবি হওয়া উচিত ছিল পুরো ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে বেড়া নির্মাণ।’

অন্য সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোর পরিস্থিতি তুলে ধরে আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বহু বছর ধরে সীমান্তের বড় অংশ উন্মুক্ত ছিল, যা সীমান্ত পারাপার নিয়ন্ত্রণে জটিলতা তৈরি করেছে। তিনি জানান, আগে মেঘালয়ে কোনো সীমান্ত বেড়া ছিল না। বর্তমানে সেখানে প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ত্রিপুরায় প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়া নির্মাণ শেষ হয়েছে এবং মিজোরামেও কাজ এগোচ্ছে।

advertisement

পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রায় ৮০০ কিলোমিটার সীমান্ত দীর্ঘদিন খোলা ছিল। বর্তমানে সেখানে বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। সীমান্তের কিছু অংশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে অন্য অংশ খোলা রাখার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। হিমন্ত বলেন, ‘যদি শিলিগুড়ি খোলা থাকে আর মানকাচর বন্ধ থাকে, তাহলে এর অর্থ কী? এগুলো ছিল ঐতিহাসিক ভুল।’

সীমান্ত অঞ্চলে জনমিতিক পরিবর্তনের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে। তাঁর মতে, সরকার সীমান্তবর্তী এলাকায় জনমিতিক পরিবর্তন মোকাবিলায় আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে। হিমন্ত বলেন, ‘আমাদের পরামর্শ হবে সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী প্রতিটি পরিবারের নাগরিকত্বের অবস্থা যাচাই করা।’

advertisement

আসাম চুক্তির আওতায় সীমান্ত ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ বাস্তবায়নে গতি এসেছে সম্প্রতি বলেও মন্তব্য করেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেন, ‘১৯৮৫ সালের আসাম চুক্তির ধারাগুলোর প্রকৃত বাস্তবায়ন ২০২৫ সাল থেকে শুরু হয়েছে। এর আগে আমরা বাংলাদেশি চলাচল থামাতে সক্ষম হইনি।’

 

  • সর্বশেষ