শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২৬, ১১:৩৬ রাত
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পারমাণবিক চুক্তি হলে ইরানের হাতে আসতে পারে ৩০০ বিলিয়ন ডলার!

নিউ ইয়র্ক টাইমস: নিউ ইয়র্ক টাইমস-জানায়, দীর্ঘদিনের সংঘাত শেষে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি, শিল্পখাত এবং রাস্তাঘাট ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্গঠনে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে। 

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির খসড়া নিয়ে আলোচনা চলছে, যার আওতায় চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ইরানের জন্য প্রায় ৩০ হাজার কোটি (৩০০ বিলিয়ন) ডলারের একটি বিশাল পুনর্গঠন তহবিল গঠিত হতে পারে। 

advertisement

দ্য টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, এটি মূলত একটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ তহবিল হবে, যা বিভিন্ন দেশের আর্থিক সহায়তায় গঠিত হতে পারে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই তহবিল গঠনে মধ্যস্থতা করবে। উভয় পক্ষ খসড়া সমঝোতা স্মারকে সম্মত হলে প্রাথমিক ৬০ দিনের আলোচনা চলাকালীন এই তহবিল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা ও কূটনীতিকের বরাতে জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই খসড়ায় কেবল যুদ্ধাবসানই নয়, বরং মার্কিন-ইরান অনাক্রমণ চুক্তির মতো বড় বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার অধীনে কোনো দেশই একে অপরের ওপর হামলা চালাবে না। মধ্যস্থতাকারীরা আশা করছেন, এই চুক্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে সামগ্রিক আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রাখবে, যার মধ্যে লেবাননে চলমান যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিও যুক্ত হতে পারে। 

advertisement

পরমাণু ইস্যুতে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তে রাজি হবে এবং আলোচনা চলাকালীন তাদের পরমাণু কর্মসূচির কিছু অংশ স্থগিত রাখবে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দেবে। এছাড়া, খসড়ায় ইরানকে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানি সচল রাখার পাশাপাশি সীমিত পরিসরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিনিময়ে মার্কিন তেল ও জ্বালানি সংস্থাগুলো যেন ইরানি যৌথ উদ্যোগে বিনিয়োগ করতে পারে, সেই প্রস্তাবও রেখেছে তেহরান।

এই আলোচনার মূল ভিত্তি হিসেবে বিভিন্ন বিদেশী ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের হিমায়িত সম্পদ অবমুক্ত করার সম্ভাবনাও খসড়া কাঠামোতে রাখা হয়েছে। যদিও তেহরানের দাবি, ফলপ্রসূ আলোচনা শুরুর আগেই এই অর্থ ছাড় করতে হবে। তবে এই কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ইসরাইল কর্তৃক ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান জোরদার করার বিষয়টি আঞ্চলিক উত্তেজনাকে টিকিয়ে রেখেছে। আলোচনার দ্বিতীয় পর্বে মূলত ইরানের কাছে থাকা প্রায় ৯৭০ পাউন্ড উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এবং ১০ টন নিম্ন-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভাগ্য নির্ধারণ করা হবে। 

advertisement

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে এই ইউরেনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের দাবি জানালেও তেহরান তা আন্তর্জাতিক নজরদারিতে দেশের ভেতরেই রাখতে চায়। পরবর্তীতে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে ইউরেনিয়াম লঘুকরণ বা অন্য কোনো নিরাপদ দেশে স্থানান্তরের বিকল্প প্রস্তাবে সম্মতি দিলেও, এটি যেন কোনোভাবেই রাশিয়া বা চীনে না পাঠানো হয়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

  • সর্বশেষ