শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২৬, ০৭:৫৫ বিকাল
আপডেট : ০৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

অভিষেককে 'চোর চোর' স্লোগান, শার্ট ছিঁড়ে ডিম-জুতা নিক্ষেপ

পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ সোনারপুরে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সময় ‘চোর চোর’ স্লোগান দিয়ে পাথর ও ডিমও ছোড়ে বিক্ষুব্ধ জনতা।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (৩০ মে) দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় আক্রান্ত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর সহিংসতায় নিহত কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবার এবং ক্ষতিগ্রস্ত অন্য পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। 

advertisement

টিএমসি জানিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর এই পরিবারগুলো আক্রমণের শিকার হয়েছিল। ঘটনার প্রতিক্রিয়া অভিষেক জানায়, এই হামলার পেছনে বিজেপির হাত রয়েছে।

এসময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এসবই বিজেপির মদদপুষ্ট। দেখুন ওরা কী করেছে। এটাই ওদের গণতন্ত্রের উদাহরণ। এক মাসও হয়নি। এদিকে পুলিশেরও কোনো খোঁজ নেই।’

advertisement

আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গাড়িবহর রেখে বাইকে করে সোনাপুর যাচ্ছিলেন তিনি। নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ঢোকার মুখে তাঁর গায়ে হাত তোলেন বিক্ষোভকারীরা। এলোপাথাড়ি চড়-ঘুষি দেয়, ভেঙে দেওয়া হয় বাইকটি। ছিঁড়ে ফেলা হয় জামা, ভেঙে যায় চশমাও।

পাথরের আঘাত থেকে বাঁচতে হেলমেট মাথায় দিয়ে এগোতে থাকেন এই তৃণমূল সাংসদ। নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে ঢোকার সময়ে বাধা দেওয়া হয় তাকে।

advertisement

এদিকে সোনাপুর যাওয়ার আগেই কোথাও কোথা‌ও মহিলাদের ডিম হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। কোথাও কালো পতাকা হাতে নিয়ে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিচ্ছিলেন বিজেপির লোকজন। 

এ সময় অভিষেক বলেন, ‘আমার মাথাটা বেঁচে গিয়েছে হেলমেট ছিল বলে। আমার চশমা ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু আমি হয়তো এই ভাবেই এখান থেকে বেরিয়ে গেলাম। তার পর তো সঞ্জু কর্মকারের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওপর চড়াও হবে ওই বখাটেগুলো।’

ওরা আমায় মারতে চায়! মেরে দিক! আমি এখান থেকে যাব না। সঞ্জুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে ছেড়ে কোথাও যাব না। আমি হাইকোর্ট এবং রাজ্যপালের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছি। (নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়ির) দরজা ভাঙার চেষ্টা করছে। পুলিশের কেউ নেই এখানে। আমি এসপি এবং আইসি-কে জানাতে বলেছি। এখনো কোনো বাহিনী আসেনি বলে যোগ করেন তিনি।

অভিষেকের দাবি, আগেই জেলা পুলিশ-প্রশাসনকে জানানো কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছিল। তার পরেও কাউকে দেখা যায়নি। কার্যত ইচ্ছে করে এই পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার  তিন সপ্তাহ পর প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে রাস্তায় নামলেন অভিষেক। 

  • সর্বশেষ