শিরোনাম
◈ সংবিধানে বড় রদবদলের পথে সরকার, আজ বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও) ◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের নতুন সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ ◈ সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

প্রকাশিত : ২০ মে, ২০২৬, ১১:৪৬ দুপুর
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গরু কুরবানির বিষয়ে যে পরামর্শ দিলেন মসজিদের ইমাম

পিটিআই: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার ঐতিহাসিক নাখোদা মসজিদের ইমাম রাজ্যের মুসলিমদের গরু কুরবানি না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া আর কখনো গরুর মাংসও না খেতে বলেছেন তিনি।

মাওলানা মোহাম্মদ শফিক কাসেমি নামে এ ইমাম বার্তাসংস্থা পিটিআইকে গত রোববার বলেন, মুসলিমদের কুরবানির জন্য বিকল্প হিসেবে ছাগল রয়েছে। তাই সবাই যেন ছাগল দিয়েই কুরবানি করেন।

তিনি বলেন, দয়া করে গরু কুরবানি করবেন না। কখনো আর গরুর মাংস খাবেন না। যদি মুসলিমরা গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করে, এটি মুসলিমদের নয়, আমাদের হিন্দু ভাইদের সবচেয়ে ক্ষতি করবে। হিন্দু পরিবারগুলো দুগ্ধ ব্যবসায় রয়েছেন, যারা কুরবানির ঈদে তাদের গরু বিক্রি করেন। তারা তাদের জীবনের সব সঞ্চয় একটি গরুর পেছনে ব্যয় করেন। যখন তারা গরুটি বিক্রি করতে পারবেন না, তখন এটি তাদের জন্য অনেক বড় ক্ষতি হবে।

গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার একটি নির্দেশনা জারি করে। এতে বলা হয় এখন থেকে অনুমতি ছাড়া রাজ্যের কোথাও গরু ও মহিষ জবাই করা যাবে না। এরমাধ্যমে কার্যত গরুর মাংসের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

বিজেপি সরকার নির্দেশনায় আরও বলেছে, কোনো গরু জবাই করতে হলে এটির বয়স অন্তত ১৪ বছর হতে হবে এবং গরু ও মহিষ শুধুমাত্র সরকার নির্ধারিত কসাইখানায় জবাই করা যাবে।

তবে এসব সুবিধা এখনো পশ্চিমবঙ্গে নেই। মাওলানা মোহাম্মদ শফিক কাসেমি বলেছেন, আগে সরকারকে কসাইখানা তৈরি করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পশু চিকিৎসকের ব্যবস্থাও করতে হবে। যদি তারা ব্যবস্থা করতে না পারে তাহলে যেন গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করা হয়।

তিনি বলেন, যদি তারা এসব ব্যবস্থা না করতে পারে তাহলে গরুকে জাতীয় পশু ঘোষণা করে গরু জবাই ও রপ্তানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়