শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১০ মে, ২০২৬, ০৮:১২ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরমুজ সংকটের মধ্যেও বছরের প্রথম প্রান্তিকে সৌদি আরামকোর বড় সাফল্য

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘সৌদি আরামকো’ ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ২৫ শতাংশ মুনাফা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। রোববার (১০ মে) প্রকাশিত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে আরামকোর নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি।

একই সময়ে কোম্পানিটির মোট রাজস্ব প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ১১৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। মূলত অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত জ্বালানি এবং রাসায়নিক পণ্যের উচ্চ মূল্য ও বিক্রি বৃদ্ধির কারণে এই প্রবৃদ্ধি এসেছে।

advertisement

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল সরবরাহ বাড়াতে আরামকোর ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন পুরো সক্ষমতায় ব্যবহার করছে।

কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী আমিন নাসের জানান, প্রতিদিন ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনে সক্ষম এই পাইপলাইন বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল পশ্চিমাঞ্চলের সৌদি রিফাইনারিগুলোতে সরবরাহ করা হয় এবং বাকি ৫০ লাখ ব্যারেল রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত হয়।

advertisement

রোববার নিক্কেই এশিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—সংঘাতের সময় সৌদি আরব প্রতিদিনের তেল উৎপাদন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল কমিয়েছে। কারণ যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালিতে পরিবহন ঝুঁকি বেড়ে গেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

এদিকে আরামকো-এর সমন্বয়কৃত নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার, যা কোম্পানিটির নিজস্ব পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি। তবে কোম্পানির ফ্রি ক্যাশ ফ্লো সামান্য কমে ১৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে ঋণের অনুপাতও কিছুটা বেড়েছে।

advertisement

প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির মূলধনী ব্যয় কমে ১২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবুও ২০২৬ সালে মোট ৫০ থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পরিকল্পনা বজায় রেখেছে তারা। আরামকো প্রথম প্রান্তিকের জন্য ২১ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ৩ শতাংশ বেশি।

সৌদি সরকারের আয়ের বড় অংশই আসে আরামকোর লভ্যাংশ থেকে। বর্তমানে এই কোম্পানির প্রায় ৮১ দশমিক ৫ শতাংশ মালিকানা সৌদি সরকারের হাতে রয়েছে, আর ১৬ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে দেশটির পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড।

  • সর্বশেষ