শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২৬, ১২:০৬ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : আর রিয়াজ

মোদীর অনুরোধে অমিত শাহকে ‘বাঁচিয়েছিলেন’ শারদ পাওয়ার, পরে তাঁর দলই ভেঙে দেয় এই জুটি’

নরেন্দ্র মোদি, শারদ পাওয়ার ও অমিত শাহ। ছবি: সংগৃহীত

সঞ্জয় রাওয়াত জানিয়েছেন, সেই সময়ে নরেন্দ্র মোদী ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং শারদ পাওয়ার কেন্দ্রে ইউপিএ সরকারের কৃষিমন্ত্রী। অমিত শাহের বিরুদ্ধে বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি) গঠন করা হয়েছিল। রাওয়াতের দাবি অনুযায়ী, সেই দলের প্রায় সব কর্মকর্তাকে ‘ম্যানেজ’ করা গেলেও মহারাষ্ট্র ক্যাডারের একজন অফিসার কিছুতেই বশ মানছিলেন না।

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বোমা ফাটিয়েছেন শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা সঞ্জয় রাওয়াত। রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কপিল সিবালের পডকাস্ট ‘দিল সে’-তে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রাওয়াত দাবি করেছেন, গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন অমিত শাহ যখন আইনি জটিলতায় ফেঁসেছিলেন, তখন নরেন্দ্র মোদীর অনুরোধে শারদ পাওয়ারই তাঁকে সাহায্য করেছিলেন।

রাওয়াত বলেন, ‘সেই সময়ে মোদীজি বারবার শারদ পাওয়ারকে অনুরোধ করেছিলেন ওই অফিসারের সাথে কথা বলতে। পাওয়ার সাহেব যখন জানতে চান কার জন্য এই তদবির, মোদীজি উত্তর দিয়েছিলেন অমিত শাহের জন্য। পাওয়ার সাহেব জিজ্ঞেস করেছিলেন—সে কে? মোদীজি তখন বলেছিলেন, অমিত শাহ তাঁর এক বিশেষ এবং অত্যন্ত দরকারি লোক।’

সঞ্জয় রাওয়াতের দাবি অনুযায়ী, মোদীর ব্যক্তিগত অনুরোধে শারদ পাওয়ার সেই মহারাষ্ট্র ক্যাডারের অফিসারকে ফোনকল করেন এবং অমিত শাহকে সাহায্য করার নির্দেশ দেন। পাওয়ারের কথা মেনেই সেই অফিসার শাহকে আইনি ছাড় পেতে সাহায্য করেছিলেন।

পুরোনো এই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে সঞ্জয় রাওয়াত বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এত সাহায্য করার পরেও যখন বিজেপি পাওয়ার সাহেবের নিজের দল এনসিপি-কে ভেঙে দিল, তখন আমার খুব কষ্ট হয়। যে মানুষটি বিপদের দিনে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর সাথেই এই আচরণ করা হলো!’

সঞ্জয় রাওয়াতের এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শারদ পাওয়ার ও নরেন্দ্র মোদীর সেই সময়ের ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ এবং বর্তমান রাজনৈতিক বৈরিতার তুলনা টেনে বিজেপি ও এনসিপি-র (শারদ পাওয়ার গোষ্ঠী) মধ্যে বাকযুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে বিজেপি বা অমিত শাহের পক্ষ থেকে এই দাবির বিষয়ে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি। সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • সর্বশেষ