শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪৯ রাত
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়া হলো কাল, প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের!

ভারতের মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি আর তরমুজ খাওয়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, মারাত্মক ‘ফুড পয়জনিং’ বা খাদ্য বিষক্রিয়াই এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ। 

মৃতরা হলেন ৪০ বছর বয়সি ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আব্দুল কাদার, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)।

advertisement

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে। আবদুল্লাহ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিরিয়ানি ভোজ করেন। এরপর পাইধোনি এলাকায় নিজেদের বাড়িতে ফিরে রাত ১টার দিকে তারা সবাই তরমুজ খান। ভোরের দিকে পরিবারের সবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং শুরু হয় প্রচণ্ড বমি ও ডায়রিয়া। 

প্রথমে স্থানীয় একজন চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা দিলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত জেজে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

advertisement

হাসপাতালে নেওয়ার পর রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়ে জয়নাব মারা যায়। এরপর পর্যায়ক্রমে মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশার মৃত্যু হয়। সবশেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাবা আবদুল্লাহও মারা যান। স্থানীয় চিকিৎসক ড. জিয়াদ কোরেশি জানান, হাসপাতালে নেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা ভীষণ ক্লান্ত ছিলেন এবং তাদের শরীর থেকে পানি বের হয়ে গিয়েছিল।

পুলিশ এই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে নথিবদ্ধ করেছে। তারা ওই বাড়ি থেকে অর্ধেক খেয়ে রাখা তরমুজের টুকরোটি পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করেছে। 

advertisement

এছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মৃতদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং টিস্যু ও ভিসেরা রিপোর্ট আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তরমুজে কোনো বিষাক্ত পদার্থ বা রাসায়নিক মেশানো ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে মুম্বাইয়ের ফরেনসিক বিভাগ ও খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। শোচনীয় এই মৃত্যু সংবাদে পুরো মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি।

 

  • সর্বশেষ