শিরোনাম
◈ ওয়াশিংটন–তেহরান ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ ব্যাংকিং খাতে ফিরছে সুদিন! ◈ ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত ◈ বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’, জন্ম ১৯৮১ সালে বলে ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বাবা এখনও জীবিত! ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে টার্গেট স্নাইপার-ড্রোন করে হামলার পরিকল্পনা, এফবিআইয়ের অভিযানে আটক ৫ ◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:১৮ বিকাল
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন: ভোট দিতে পারেননি মীর জাফরের বংশধররা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি না ‘ছোটে নবাব’ হিসেবে পরিচিত সৈয়দ মুহাম্মদ রেজা আলি মির্জা। তিনি হলেন মীর জাফরের বংশধর।

তার ছেলে সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলি মির্জাসহ মীর জাফরের বংশের দেড়শোরও বেশি সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রথম দফায় এদিন মুর্শিদাবাদে ভোটগ্রহণ হলেও সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলি মির্জা, তার ছেলে এবং পরিবারের যেসব সদস্যদের নাম নেই, তারা ভোট দিতে পারেননি বলে জানা গেছে।

মুর্শিদাবাদের লালবাগের ‘কেল্লা নিজামত’ এবং তার আশপাশের অঞ্চলে বাস করেন মীর জাফরের বংশের সদস্যরা।

তাদের পরিবার জানাচ্ছে, প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরে অনেককেই শুনানিতে ডাকা হয়েছিল এবং সেখানে তারা সব নথিপত্র জমাও দিয়েছিলেন।

তাদের অভিযোগ, তবুও তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ গেছে।

ভারতের নির্বাচন কমিশন পরিচালিত ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) বা ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় মীর জাফরের প্রায় ৩০০-৩৪৬ জন বংশধরের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

মীর জাফরের পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন, ১৯৪৭ সালে অনেক প্রলোভন সত্ত্বেও পরিবারের বেশিরভাগই পাকিস্তানে না গিয়ে ভারতে থেকে যায়, এত বছর পরে কেন নতুন করে তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে?

ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পর ব্রিটিশের সহায়তায় মসনদে বসেন মীরজাফর। বর্তমানে তার ১৫তম বংশধর মহম্মদ রেজা আলি মির্জা (যিনি মুর্শিদাবাদে ‘ছোটে নবাব’ নামে পরিচিত) এখনও ‘কিল্লা নিজামত’ এলাকার ঘণ্টা ঘরের কাছে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। ১৬তম বংশধর সৈয়দ মহম্মদ ফাহিম মির্জাও বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। ‘কিল্লা নিজামত’ চত্বরে নবাব পরিবারের আরও বহু সদস্যর বাস। তাদের অনেকের নামও ভোটার তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে মুছে দেওয়া হয়েছে। উৎস: বাংলানিউজ24

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়