শিরোনাম
◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী ◈ সংসদে ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ এর ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ‘১৪ দফা’ চুক্তি ফাঁস, সামনে আসছে যুদ্ধবিরতির রূপরেখা ◈ ‘আমরা খালেদা জিয়ার সৈনিক, দেশ ছেড়ে কোথাও যাব না’ ◈ সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ দেশে হাম সন্দেহে মৃত্যু আরও ৪ জনের, নতুন করে আক্রান্ত ৯৬৬

প্রকাশিত : ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের মানুষ শুধু সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে। তিনি মার্কিন রেডিও উপস্থাপক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার মাইকেল স্যাভেজের একটি পডকাস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন, যেখানে ভারত, চীনসহ কয়েকটি দেশকে ‘হেল-হোল’ বা নিকৃষ্ট দেশ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয় এবং এই দুই দেশের মানুষ শুধু সন্তান জন্ম দিতে যুক্তরাষ্ট্রে আসে বলে মন্তব্য করা হয়।

স্যাভেজ তার ‘স্যাভেজ নেশন’ পডকাস্টে যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে দাবি করেন, ভারত ও চীন থেকে অনেক মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্ম দিয়ে সেই শিশুকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিক বানাচ্ছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলেই শিশু নাগরিক হয়ে যায়, এরপর তারা তাদের পুরো পরিবারকে নিয়ে আসে— ভারত, চীন বা অন্য কোনো ‘হেল-হোল’ দেশ থেকে।

এছাড়া তিনি ভারতীয় ও চীনা অভিবাসীদের উদ্দেশে কটূক্তি করে বলেন, তারা 'ল্যাপটপ হাতে গ্যাংস্টার', যারা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি করছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিরোধিতা করে আসছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া পৃথিবীর আর কোনো দেশে এই সুবিধা নেই। তবে বাস্তবে কানাডা, মেক্সিকোসহ প্রায় ৩০টিরও বেশি দেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব চালু রয়েছে।

২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প কিছু ক্ষেত্রে এই সুবিধা সীমিত করতে নির্বাহী আদেশ জারি করেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে আইনি বিতর্ক শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী, দেশটিতে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সব শিশুই নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার রাখে। ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ এই সাংবিধানিক অধিকারকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

বর্তমানে বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। আদালতের রায় এই ইস্যুতে ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

আসন্ন রায় নিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, আদালত যদি তার বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি ও মর্যাদাহানির কারণ হতে পারে। সূত্র: এনডিটিভি

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়