শিরোনাম
◈ মিয়ানমারের সঙ্গে সীমিত বাণিজ্য শুরু, প্রাণ ফিরছে টেকনাফ স্থলবন্দরে ◈ অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি পুলিশের ◈ আরও পাঁচ প্রবাসী ফুটবলার সাফ চ‌্যা‌ম্পিয়নশীপ খেল‌তে আসছে  ◈ ফিফা সভাপ‌তি ক্ষমা চাইলেও উয়েফা এখ‌নো বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় ◈ আওয়ামী লীগের বিচার ও নিষিদ্ধ করার প্রশ্নে চ্যালেঞ্জ কোথায় ◈ রোববার চট্টগ্রাম যাবেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে একাধিক কর্মসূচি ◈ সাকিবের দেশে ফেরার প্রশ্নে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী—‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ◈ ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ◈ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ◈ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত: রয়টার্সকে সাকিব

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০৮ রাত
আপডেট : ০৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৫ কারণে যুদ্ধবিরতির পথে ট্রাম্প

পাকিস্তানের অনুরোধে ইরানের সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধবিরতিতে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন দাবি করার পর তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইরান কখনও যুদ্ধবিরতি চায়নি।

বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধও করেনি ইরান। ট্রাম্পের এই ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর’ ঘোষণার কয়েকটি সম্ভাব্য অর্থ খুঁজে পেয়েছে গণমাধ্যমটি।

১. ট্রাম্প যুদ্ধটি হেরে গেছেন

যুদ্ধ চলাকালীন সব ধরনের সম্ভাব্য কৌশল পরীক্ষা করেছেন ও প্রয়োগ করেছেন ট্রাম্প। তবে তিনি বুঝতে পেরেছেন যুদ্ধের মাধ্যমে কিছুই অর্জন করতে পারবেন না। তাই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসাকেই সবচেয়ে ভালো পথ হিসেবে দেখছেন। এমনকি যদি তিনি ভুল সিদ্ধান্তে যুদ্ধ চালিয়ে যান, তাতেও কোনো লাভ হবে না।

২. প্রতারণার আশ্রয়

যদিও যুদ্ধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কোনো অর্জন করতে পারেনি। তবুও ট্রাম্প নানা ধরনের কৌশল ও প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারেন। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা একটি হতে পারে।

ট্রাম্প দাবি করতে পারেন যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এরপর যুক্তরাষ্ট্রের একই ‘প্রশাসন’ বা তাদের আঞ্চলিক সহযোগী (ইসরাইল) আবারও ‘সন্ত্রাসী’ কার্যক্রম চালাতে পারে। তাসনিমের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানি কর্মকর্তারা এ ধরনের সম্ভাবনাকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তারা এটি হালকাভাবে নিচ্ছেন না।

৩. প্রক্সি যুদ্ধ চালাবে

যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থেকে সরে যাবে, কিন্তু ইসরাইল লেবাননে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে—যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অজুহাতে। তবে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করা হয়েছে, তারা একতরফাভাবে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে গিয়ে ইসরাইলকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে দিতে পারবে না।

৪. নৌ অবরোধ

মার্কিন বাহিনীর নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকলে তা মানেই শত্রুতার অব্যাহত থাকা। অবরোধ যতদিন থাকবে, ইরান অন্তত হরমুজ প্রণালী খুলবে না এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে অবরোধ ভাঙবে।

৫. যুদ্ধের প্রভাব

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর যুদ্ধের ‘ছায়া’ বজায় রাখতে চায় এবং ইরানের অর্থনীতি ও রাজনীতিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখতে চায়। ওয়াশিংটনের ধারণা, ইরানের পরিস্থিতি ১২ দিনের যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের মতোই আছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতির একটি মৌলিক পার্থক্য হলো—হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ। যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধের এই ছায়া বজায় রাখতে চায়, তাহলে তাদের বুঝতে হবে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়