শিরোনাম
◈ যুক্তরা‌স্ট্রের স‌ঙ্গে আলোচনার মানে এটা নয় যে, শত্রুর মতামত মেনে নেয়া হবে: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে হাইতির বিরু‌দ্ধে নতুন  কৌশল নিয়ে নামবেন ব্রা‌জি‌লের কোচ কা‌র্লো আনচেলত্তি ◈ হরমুজ খুলতেই এশিয়ার বাজারে আসছে ৬ কোটি ব্যারেল তেল ◈ শ‌নিবার নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে পাকিস্তানের মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ  ◈ গরম আর বৃ‌ষ্টি এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ◈ দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে স্বাগতিক মেক্সিকো ◈ কাতারকে ৬ গোলে উড়িয়ে ইতিহাস কানাডার, ড্রেসিংরুমে ছুটে গেলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ নতুন সমঝোতায় শক্তিশালী ইরান, শঙ্কায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা ◈ সমঝোতার বাস্তবায়ন শুরু, ইরানের বন্দর অবরোধ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর আশাবাদ ব্রিটিশ হাইকমিশনারের

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:২০ দুপুর
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অভিবাসনপথে মৃত্যু থামছে না: বছরে প্রায় ৮ হাজার প্রাণহানি—জাতিসংঘ

গত এক বছরে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন অভিবাসন পথে অন্তত ৮ হাজার মানুষের মৃত্যু অথবা নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘ। এর মধ্যে ইউরোপের দিকে যাওয়ার সমুদ্রপথগুলো ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) তাদের এক প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

আইওএম-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট ৭ হাজার ৯০৪ জন মারা গেছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন। যদিও এটি ২০২৪ সালের রেকর্ড ৯ হাজার ১৯৪ জনের তুলনায় কিছুটা কম, তবে সংস্থাটি বলছে সহায়তায় ঘাটতির কারণে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি সম্ভাব্য মৃত্যুর ঘটনা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত অভিবাসন পথে ৮২ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যার ফলে প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার পরিবারের সদস্য সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

আইওএম জানায়, মোট মৃত্যু ও নিখোঁজের প্রতি ১০টির মধ্যে ৪টির বেশি ঘটনা ঘটেছে ইউরোপমুখী সমুদ্রপথে।

আইওএম-এর মানবিক ও সহায়তা বিভাগের পরিচালক মারিয়া মোইতা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই পরিসংখ্যান আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার সাক্ষ্য দিচ্ছে। প্রতিবেদনে অনেক ক্ষেত্রে ‘অদৃশ্য নৌকাডুবি’র কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে পুরো একটি নৌকা মাঝ সমুদ্রে হারিয়ে যায় এবং কোনও হদিস পাওয়া যায় না।

বাংলাদেশিদের সংখ্যা বাড়ছে: প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টার সময় প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জনেরও বেশি মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। সংস্থাটি জানিয়েছে, ইউরোপে মোট অভিবাসী আগমনের হার কমলেও যাত্রার ধরনে পরিবর্তন এসেছে। রাজনৈতিক ও নীতিগত পরিবর্তনের ফলে সিরীয়দের আগমন কমলেও বাংলাদেশিরা এখন ইউরোপে পৌঁছানো বৃহত্তম একক গোষ্ঠী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট: পশ্চিম আফ্রিকার রুট দিয়ে উত্তর দিকে যাওয়ার পথে ১ হাজার ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে এশিয়ায় রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে মিয়ানমারের সহিংসতা ও বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরের দুর্দশা থেকে পালাতে গিয়ে প্রাণ হারানো শত শত রোহিঙ্গা শরণার্থী রয়েছে।

আইওএম-এর মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নীতি পরিবর্তনের কারণে অভিবাসন রুটগুলো কেবল পরিবর্তন হচ্ছে, কিন্তু ঝুঁকি কমছে না। প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একেকটি মানুষের বিপজ্জনক যাত্রা এবং এমন কিছু পরিবার, যারা হয়তো কখনও প্রিয়জনদের খবর পাবে না।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়