শিরোনাম
◈ টোল কমিয়ে কর্ণফুলী টানেলে যান চলাচল বাড়াতে সরকারের নতুন উদ্যোগ ◈ জামিনে মুক্ত বেনজীর, দেশে ফেরাতে নতুন আইনি চ্যালেঞ্জ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে পারমাণবিক সহযোগিতা পুনরায় শুরু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ◈ টাঙ্গুয়ার হাওরে নতুন বিধিনিষেধ, কোন এলাকা পর্যন্ত চলবে পর্যটকবাহী নৌযান? ◈ আগামী সপ্তাহে খুলছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস লেন ◈ সংবিধানে বড় রদবদলের পথে সরকার, আজ বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৪ সকাল
আপডেট : ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অভিষেককে রাহুলের ফোন, বিরোধী রাজনীতিতে নতুন মোড়ের ইঙ্গিত

লোকসভায় আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার কেন্দ্রের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পরই বিরোধী রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। শুক্রবার রাতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফোনে কথা বলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সূত্রের দাবি, লোকসভায় বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য অভিষেককে ধন্যবাদ জানান রাহুল। এই ফোনালাপ এমন এক সময়ে হল, যখন পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোট শুরু হতে আর মাত্র এক সপ্তাহ বাকি। ফলে এই যোগাযোগকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

উল্লেখযোগ্য বিষয়, কয়েক দিন আগেই নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেই আবহেই হঠাৎ এই ফোনালাপ দুই দলের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। বিরোধী জোটের বৈঠকে তৃণমূলের অনুপস্থিতিও সম্প্রতি নজরে পড়েছিল। এই পরিস্থিতিতে এই যোগাযোগ ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সমন্বয়ের ইঙ্গিত কিনা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ ও আসন বৃদ্ধির প্রস্তাব সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল ভোটাভুটিতে পেশ করা হয়। দুই দিনের বিতর্কের পর ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮টি ভোট এবং বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোট দেন। তবে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি পাস করাতে ব্যর্থ হয় কেন্দ্র।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, জনগণনার আগে তড়িঘড়ি করে আসন বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণ কার্যকর করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এতে অনগ্রসর শ্রেণির মহিলারা বঞ্চিত হতে পারেন বলেও দাবি করা হয়। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী এই বিষয়টি তুলে ধরেন। সংবিধান অনুযায়ী জনগণনার পরেই নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই আসন সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আসে কেন্দ্র।

বিরোধীরা একজোট হয়ে তার বিরোধিতা করে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় একদিকে যেমন সংসদে বিরোধীদের ঐক্য সামনে এসেছে, অন্যদিকে ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতেও নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত মিলছে। বিশেষ করে রাহুল-অভিষেকের এই যোগাযোগ ভবিষ্যতে কৌশলগত সমঝোতার পথ খুলে দিতে পারে কিনা, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সব মিলিয়ে, বিল ভেস্তে যাওয়ার ঘটনাকে ঘিরে শুধু সংসদ নয়, রাজ্যের নির্বাচনী আবহেও নতুন বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়