শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৯ সকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণায় চাপে নেতানিয়াহু সরকার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণাকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার জোট সরকারের জন্য একটি বড় ধরনের অপমান বা ‘চপেটাঘাত’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

ইসরাইলি সরকার যেখানে লিটানি নদী পর্যন্ত লেবাননের ভূখণ্ড দখল করার পরিকল্পনা করছিল, সেখানে ট্রাম্পের এই আকস্মিক ঘোষণা তাদের সেই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যকে বাধাগ্রস্ত করেছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসরাইলকে বিমান হামলা বন্ধ করার ট্রাম্পের কড়া নির্দেশ নেতানিয়াহু প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইসরাইলি সরকার গত কয়েকদিন ধরে অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী ছিল। তারা লেবানন সরকারকে কেবল হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করতেই চাপ দিচ্ছিল না, বরং হিজবুল্লাহকে সংসদ এবং সরকার থেকে পুরোপুরি বহিষ্কার করার দাবি তুলছিল। ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ জনমত যখন সরকারের ওপর চরম ক্ষুব্ধ, তখন ডানপন্থী ভোটারদের সন্তুষ্ট করতে লেবাননের শিয়া-প্রধান গ্রামগুলোকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার যে নীতি ইসরাইল গ্রহণ করেছিল, ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ সেই পরিকল্পনাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। 

ইসরাইলি বাহিনী গ্রামগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে লেবাননের বাসিন্দাদের সেখানে ফিরতে বাধা দিচ্ছে, যাতে তারা তাদের জনভিত্তির কাছে প্রমাণ করতে পারে যে তারা নিরাপত্তার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।

তবে এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মধ্যেও ইসরাইলি সরকারের জন্য সামান্য সুযোগ বা ‘উইগল রুম’ রয়ে গেছে। কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও—কেউই এখন পর্যন্ত ইসরাইলকে তাদের দখলকৃত ভূখণ্ড থেকে সরে আসার নির্দেশ দেননি। 

এই বিষয়টিকেই বর্তমানে ইসরাইল সরকার তাদের ক্ষুব্ধ জনগণের কাছে সান্ত্বনা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। তারা দাবি করছে যে বিমান হামলা বন্ধের চাপ থাকলেও ভূখণ্ডগত অবস্থান থেকে তারা এখনো সরে আসেনি। মূলত নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সামাল দিতে এবং নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার বাহানা হিসেবেই ইসরাইল সরকার এখন এই সীমিত সুযোগকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।

  • সর্বশেষ