শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৫:১৬ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারত সফরে জয়শঙ্কর-দোভালের সঙ্গে বৈঠক, জ্বালানি ও পানি ইস্যুতে গুরুত্ব

আগামী ৭ এপ্রিল ভারতের নয়াদিল্লি যাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফরে গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি এবং ভারত থেকে আরও জ্বালানি আনার ব্যাপারে আলোচনা হতে পারে।

বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আনলেও যুদ্ধের কারণে এতে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে ভারত থেকে আরও জ্বালানি আনার পরিকল্পনা হচ্ছে।

advertisement

প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মরিশাসে ভারত মহাসাগর সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে নয়াদিল্লি যাবেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভারতীয় সূত্রগুলো জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পিযুস গোয়ালের সঙ্গে আগামী ৮ এপ্রিল বৈঠক করবেন।

advertisement

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর এটি প্রথম সফর হবে।

হিন্দুস্তান টাইমস আরও জানিয়েছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২০২৬-২০২৭ এর সভাপতি পদের জন্য বাংলাদেশ নমিনেশন দিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে। তিনি এক্ষেত্রে ভারতের সহায়তা চাইতে পারেন।

advertisement

১৯৯৬ সালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তিন দশক মেয়াদি পানিবণ্টন চুক্তি হয়। ওই বছরের ডিসেম্বরে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। মেয়াদ প্রায় শেষ হওয়ায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রতিনিধি দল উভয় দেশে  চুক্তিটির জলবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন করছে। এ চুক্তির আওতায় উজান তীরবর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে পানি ছাড়ার জন্য বাধ্য ভারত।

এদিকে ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ চুক্তিতে পানি প্রবাহে জলবায়ুগত প্রভাব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অংশগ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন করে যদি চুক্তি হতে হয় তাহলে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারকে এতে সম্মতি দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে বাড়তি জ্বালানি, বিশেষ করে ডিজেলের সরবরাহ নিয়ে কথা বলবেন। ফলে ভারতের জ্বালানিমন্ত্রী হরদ্বীপ পুরির সঙ্গে ড. খলিলুর রহমানের আলোচনা হতে পারে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

 

  • সর্বশেষ