শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৮ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০১ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘নো কিংস’ ডে অব অ্যাকশন: ইতিহাসের বড় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আশা যুক্তরাষ্ট্রে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে। ‘নো কিংস’ শিরোনামে শনিবার (২৮ মার্চ) দেশটির হাজারো শহরে একযোগে সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে।

আয়োজকদের দাবি, ৫০টি অঙ্গরাজ্যজুড়ে ৩ হাজার দুইশোর বেশি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তারা আশা করছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একদিনে সবচেয়ে বড় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পরিণত হতে পারে।

advertisement

এর আগে একই কর্মসূচির দুই দফায় মিলিয়নসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।

প্রধান সমাবেশগুলো হবে নিউ ইয়র্ক, লস অ্যান্জেলেস, ওয়াশিংটন ডিসি ও মিনেসোটার টুইন সিটিজ এলাকায়। তবে আয়োজকদের মতে, অংশগ্রহণকারীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই বড় শহরের বাইরে ছোট কমিউনিটি থেকে আসবেন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।

advertisement

‘নো কিংস’ আন্দোলনের সূচনাকারী সংগঠনে ইন্ডিভিসিবলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লেহ গ্রিনবার্গ বলেন, এই আন্দোলনের মূল গল্প শুধু কত মানুষ রাস্তায় নামছে তা নয়, বরং কোথায় নামছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন (মিডটার্ম) ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। আয়োজকদের দাবি, রিপাবলিকান ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত আইডাহো, ওয়াইওমিং
, মন্টানা ও ইউটাহতেও এবার অংশগ্রহণ ও সংগঠনের আগ্রহ বেড়েছে। এছাড়া নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা উপশহর এলাকাগুলোতেও অংশগ্রহণের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানান গ্রিনবার্গ।

advertisement

গ্রিনবার্গ বলেন, যারা ভোটের ফল নির্ধারণ করে, যারা ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার চালায়, ভোটার নিবন্ধন করে; তারাই এখন রাস্তায় নেমেছে এবং তারা ক্ষুব্ধ।

তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেইল জ্যাকসন এসব বিক্ষোভকে তাচ্ছিল্য করে বলেছেন, এগুলো মূলত ‘ট্রাম্প-বিদ্বেষীদের থেরাপি সেশন’, যা কেবল সাংবাদিকদের কাছেই গুরুত্ব পায়।

শনিবারের কর্মসূচি ‘নো কিংস ডে অব অ্যাকশন’র তৃতীয় আয়োজন। গত বছরের ১৪ জুন, ট্রাম্পের জন্মদিনে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের প্রথম দফায় প্রায় ২১০০ স্থানে ৪০ থেকে ৬০ লাখ মানুষ অংশ নেন। পরবর্তী অক্টোবরের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৭০ লাখে দাঁড়ায়, যা ২ হাজার সাতশোর বেশি শহরে ছড়িয়ে পড়ে।

সেই সময় সরকারি কার্যক্রম স্থগিত (শাটডাউন), অভিবাসন দমন অভিযান জোরদার এবং বড় শহরগুলোয় ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের প্রতিবাদে ব্যাপক জনস্রোত তৈরি হয়।

এদিকে চলমান কর্মসূচি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে সামরিক হামলা নিয়ে উত্তেজনা চলছে, যা ইতোমধ্যে চার সপ্তাহে গড়িয়েছে। এর আগে লস অ্যাঞ্জেলেসে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন এবং মিনিয়াপোলিসে দুজন মার্কিন নাগরিক নিহতের ঘটনায় বিক্ষোভের মুখে প্রশাসন কিছু সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়।

অধিকারবিষয়ক সংগঠন আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের প্রধান রাজনৈতিক ও অ্যাডভোকেসি কর্মকর্তা ডেয়ারড্রে শিফেলিং বলেন, আন্দোলনের সত্যিকারের প্রভাব আছে। আমরা যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ক্ষমতার ভুল ব্যবহারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামি, তখন তিনি অনেক সময় পিছু হটে যান; ঠিক যেমন একটা ষাঁড় ভয় পেয়ে ফিরে যায়। সূত্র: সিএনবিসি

 

  • সর্বশেষ