শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের ইরান হামলা স্থগিত ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে হঠাৎ কমে গেলো তেলের দাম ◈ ২৫ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ ◈ আলোচনায় অগ্রগতির দাবি: ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা স্থগিতের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ ২২ দেশের ঐক্যেও হরমুজে ইরানের দাপট কেন কমানো কঠিন ◈ ভারতের বিমানবাহিনীর যেসব তথ্য হাতিয়ে নিল পাকিস্তান ◈ সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটিতে ইরানের হামলার দাবি ◈ পেট্রোল পাম্প বন্ধের আশঙ্কা নেই, তবে সরবরাহ সংকটে চাপ বাড়ছে ◈ ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার খুলছে অফিস, ফিরছে কর্মব্যস্ততা ◈ ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের ৬ কঠোর শর্ত, পর্দার আড়ালে শান্তি আলোচনার প্রস্তুতি ◈ সামনে কঠিন সময়, দ্রব্যমূল্য বাড়ার আশঙ্কা—সততার পথে এগোনোর আহ্বান মির্জা ফখরুলের

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৫৭ বিকাল
আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরমুজে জাহাজ প্রতি ২০ লাখ ডলার করে নিচ্ছে ইরান? দাবি তেহরানের সংসদ সদস্যের!  

আন্তর্জা‌তিক ডেস্ক : হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ পরিবহণের অনুমতির জন্য আলাদা করে টাকা তুলছে ইরান? সে দেশের এক সংসদ সদস্যের দাবি, এক-একটি জাহাজ হরমুজ পেরোচ্ছে ২০ লাখ ডলার (বাংলা‌দে‌শি মুদ্রায় ২২.৮০ কোটি টাকা) মূল্য দিয়ে। 

এই অর্থ না দিলে কোনও জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পেরোনোর অনুমতিই দেওয়া হচ্ছে না! সম্প্রতি ইরানের একটি টিভি চ্যানেলে এ কথা জানিয়েছেন সে দেশের বিদেশনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান আলায়েদ্দিন বরৌজের্দি। ২০২৪ সাল থেকে তিনি ইরানের পার্লামেন্টেরও সদস্য।

ইরানের এই ২০ লাখ ডলারের দাবি সকল পণ্যবাহী জাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে কি না, স্পষ্ট নয়। একাংশের দাবি, কিছু জাহাজ থেকে টাকা তোলা হচ্ছে। আলায়েদ্দিন নিজের বক্তব্যে তা খোলসা করেননি। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে যুদ্ধের আবহে ভারতের দু’টি এলপিজিবাহী জাহাজ হরমুজ় পেরিয়ে দেশে চলে এসেছে। আরও জাহাজ পরিবহণের জন্য ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। 

কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই ভারতের জাহাজগুলির জন্য হরমুজের দরজা খুলেছে বলে সরকারি ভাবে দাবি করা হয়েছে। তবে আলায়েদ্দিনের মন্তব্যের পর ভারতকেও জাহাজের জন্য টাকা দিতে হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

পণ্যবাহী জাহাজগুলি থেকে টাকা তোলার এই পদক্ষেপ ইরানের শক্তি এবং হরমুজের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে, দাবি আলায়েদ্দিনের। তিনি বলেছেন, যুদ্ধ চলছে। তার একটা খরচ আছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের এটা করতে হচ্ছে। হরমুজ দিয়ে যাওয়া জাহাজের থেকে পরিবহণের খরচ নিতে হচ্ছে। এটা আমাদের শক্তির পরিচয়।’’ লন্ডন থেকে পরিচালিত ইরানের সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল আলায়েদ্দিনের মন্তব্য উল্লেখ করেছে।

উল্লেখ্য, যুদ্ধের কারণে ইরানের উপর একাধিক বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে আমেরিকায়-সহ পশ্চিমি দুনিয়া। যদি জাহাজ পরিবহণের জন্য ইরানকে সত্যিই টাকা দিতে হয়, তবে আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধের কারণে বিপদে পড়তে হতে পারে যে কোনও দেশকে। টাকা তোলা নিয়ে কোনও তরফেই সরকারি ভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের যৌথ বাহিনী ইরানের উপর হামলা চালায়। তাতে মৃত্যু হয় সে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। এর পরেই ইরান প্রত্যাঘাত শুরু করে। নিশানা করা হয় পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে সারা দেশের জ্বালানির এক তৃতীয়াংশ পরিবাহিত হয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে বাধা সৃষ্টি করছে ইরান। হরমুজের পশ্চিম প্রান্তে এখনও ২২টি ভারতীয় পণ্যবাহী জাহাজ আটকে। তা নিয়ে কথাবার্তা চলছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অবশ্য দাবি করেছেন, শত্রু দেশ ছাড়া আর কারও জন্য হরমুজে কোনও বাধা নেই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়