শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৪ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরানের খার্গ দ্বীপ কেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

 বিবিসি: ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, খার্গ দ্বীপের সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। তবে তিনি আরও বলেছেন, সেখানকার তেল অবকাঠামোর কোনও ক্ষতি করা হয়নি।

বিবিসির মাইকি কে’র ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই দ্বীপটি থেকেই ইরানের ৯০ শতাংশ তেল রফতানি হয় এবং এটাকে তেহরানের অর্থনীতির লাইফলাইন বলা হয়।

advertisement

এর আগে দু’জন কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে একটি মেরিন ইউনিট এবং আরও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

এই মেরিন ইউনিটটি সমুদ্রপথে আক্রমণ চালাতে সক্ষম এবং সাধারণত এটি কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে থাকা সর্বোচ্চ প্রায় ৫ হাজার মেরিন ও নাবিক নিয়ে গঠিত হয়। এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিবিসি মার্কিন সেনাবাহিনী এবং পেন্টাগনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

advertisement

খার্গ দ্বীপ কেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র খার্গ দ্বীপের ‌‌‌‘সব সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে’ বোমা হামলা চালিয়েছে। এটি ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থিত প্রায় ৫ মাইল লম্বা একটি ছোট দ্বীপ। এই দ্বীপকে ইরানের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

advertisement

দ্বীপটিতে অল্প কিছু মানুষ বসবাস করে। বরং ইরানের রফতানি করা অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে যায়।

বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কার প্রথমে এই দ্বীপ থেকে তেল নিয়ে তারপর সেখান থেকে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। এর অন্যতম হলো চীন। দেশটি ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। 

যদি দ্বীপটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে এটি ইরানের অর্থনীতিকে মারাত্মকভাবে পঙ্গু করে দেবে।

এই মাসের শুরুতে, মার্কিন নিউজ আউটলেট ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, ট্রাম্প দ্বীপটি দখলের জন্য বিশেষ বাহিনী পাঠানোর কথা ভাবছেন। 

  • সর্বশেষ