শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৮ রাত
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রতিবেশী দেশে হামলার জন্য ক্ষমা চাইলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট, ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই দোহায় বিস্ফোরণ

ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান অত্যন্ত নমনীয় সুরে বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলো, যারা আমাদের হামলার শিকার হয়েছে, তাদের কাছে আমি ক্ষমা চাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি। আমাদের কোনো প্রতিবেশী দেশ দখলের বিন্দুমাত্র অভিপ্রায় নেই।’

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এক অভাবনীয় ও নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর অনিচ্ছাকৃত হামলার জন্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চেয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে এই ক্ষমা প্রার্থনার কয়েক মিনিটের মাথায় কাতারের রাজধানী দোহার আকাশে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

advertisement

আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে ইরানি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এখন থেকে সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো প্রতিবেশী দেশের ওপর হামলা চালাবে না।’

প্রেসিডেন্ট তাঁর ভাষণে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা এই পরিস্থিতিকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে চায়, তারা যেন ‘সাম্রাজ্যবাদের পুতুল’ না হয়। ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করা কোনো সম্মানের পথ নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

advertisement


মধ্যপ্রাচ্য
প্রতিবেশী দেশে আর হামলা নয়, ক্ষমাও চাইলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট
আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬, ১৪: ২৬
আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৬, ১৪: ৪২

 

advertisement

 

প্রতিবেশী দেশে আর হামলা নয়, ক্ষমাও চাইলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে এক অভাবনীয় ও নাটকীয় মোড় দেখা দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর অনিচ্ছাকৃত হামলার জন্য রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় ক্ষমা চেয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে এই ক্ষমা প্রার্থনার কয়েক মিনিটের মাথায় কাতারের রাজধানী দোহার আকাশে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান অত্যন্ত নমনীয় সুরে বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশগুলো, যারা আমাদের হামলার শিকার হয়েছে, তাদের কাছে আমি ক্ষমা চাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করি। আমাদের কোনো প্রতিবেশী দেশ দখলের বিন্দুমাত্র অভিপ্রায় নেই।’

ব্রিটেনের ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বোমারু বিমান, হামলা কি রাতেইব্রিটেনের ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী বোমারু বিমান, হামলা কি রাতেই
আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে ইরানি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘এখন থেকে সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো প্রতিবেশী দেশের ওপর হামলা চালাবে না।’

প্রেসিডেন্ট তাঁর ভাষণে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা এই পরিস্থিতিকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে চায়, তারা যেন ‘সাম্রাজ্যবাদের পুতুল’ না হয়। ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করা কোনো সম্মানের পথ নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের এই শান্তিবার্তার রেশ কাটতে না কাটতেই কাতারের রাজধানী দোহার আকাশে একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং নিরাপত্তা অ্যালার্ম বেজে ওঠে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইন্টারসেপশন বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের শব্দ ছিল।

এদিকে ইরানি সেনাবাহিনী এবং সরকারের সিদ্ধান্তের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা বা যোগাযোগের ঘাটতি ছিল কি না, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কারণ, প্রেসিডেন্টের হামলা না করার ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।

এর আগে কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোনে এক জরুরি বার্তায় জানায়, পারস্য উপসাগরীয় দেশটিতে নিরাপত্তাঝুঁকি ‘উচ্চতর’ পর্যায়ে রয়েছে। তবে এর কিছু সময় পরই আরেকটি বার্তায় জানানো হয়, ‘নিরাপত্তা হুমকি দূর করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।’

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই ক্ষমা প্রার্থনা এবং পরবর্তী বিস্ফোরণ মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও রহস্যময় করে তুলেছে।

  • সর্বশেষ