শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০৭ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ভারতের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে প্রভাব ফেলতে পারে: প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

ইরান বনাম ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের আর্থিক এবং বাণিজ্যিক প্রভাব ভারতের ওপর পড়বে বলে মনে করছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। শুক্রবার (৬ মার্চ) কলকাতায় সমুদ্র বিষয়ক সম্মেলন ‘সাগর সংকল্প’-এ যোগ দিয়ে এমন শঙ্কার কথা জানান তিনি।

রাজনাথ সিং বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী কিংবা গোটা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল বিশ্ব জ্বালানির নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলে কোনও ধরনের বিঘ্ন বা অস্থিরতা তৈরি হলে তা সরাসরি তেল এবং গ্যাসের সরবরাহকে প্রভাবিত করে। বর্তমানে যুদ্ধের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিই যেন বিশ্বজুড়ে নতুন স্বাভাবিক বা নিউ নর্মালে পরিণত হচ্ছে।’

advertisement

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি ‘উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে পরিস্থিত জটিল হয়ে উঠেছে। সংঘাত জটিল এবং উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।’

প্রতিরক্ষামন্ত্রী খানিকটা উৎকণ্ঠার সুরেই বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে এবং মনে করা হচ্ছে ভবিষ্যতে এটি আরও দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং অনিশ্চিত হয়ে উঠবে। বিভিন্ন দেশ যেভাবে স্থলভাগে, আকাশপথে এবং জলপথ এমনকী মহাকাশেও একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে তা আমাদের সবার জন্যই উদ্বেগের বিষয়।’

advertisement

রাজনাথের সংযোজন, ‘আরও বেশি উদ্বেগের কারণ হলো, এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিই যেন ধীরে ধীরে নিউ নর্মালে পরিণত হচ্ছে। এটা ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।’

প্রসঙ্গত, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা করছে গোটা বিশ্ব। এই অবস্থায় ভারতও জ্বালানির আমদানির বিকল্প রাস্তা খুঁজছে। ভারতের পাশে এসে দাঁড়াতে চেয়েছে রাশিয়া। কিন্তু রাশিয়া থেকে তেল কিনলে যে আবার যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক গুনতে হবে। তাই কিছুটা সংশয়ে ছিল সরকার।

advertisement

যদিও এমন পরিস্থিতিতে ভারতের প্রতি কিছুটা যেন সদয় হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

 

  • সর্বশেষ