শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একসঙ্গে ইফতার করে সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন হিন্দু–মুসলিমরা

ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজনোর জেলার তাজপুরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার আজাদ সমাজ পার্টির সিনিয়র নেতা এবং নুরপুরের রাজার এ.এইচ.এম. প্যারামেডিক্যাল কলেজের চেয়ারম্যান হাজি উসমান আনসারির উদ্যোগে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের শত শত মানুষ একসঙ্গে ইফতার করেন।

বিজনোরের নূরপুর এলাকার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে মিলে একই দস্তরখানে বসে ইফতার করে দেশজুড়ে শান্তি ও সংহতির বার্তা পৌঁছে দেন।

advertisement

অনুষ্ঠানে হাজি উসমান আনসারি বলেন, "রমজান মাস হলো বরকত এবং ভ্রাতৃত্বের মাস। এটি এমন এক সময় যখন মানুষ নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং মানবতার সেবায় ব্রতী হয়। এই পবিত্র মাস আমাদের শেখায় কীভাবে একে অপরের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করতে হয়।"

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, প্রতিটি ধর্মের মানুষের উচিত একে অপরের উৎসব ও উদযাপনে অংশ নেওয়া। এতে সামাজিক বন্ধন মজবুত হয় এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বৃদ্ধি পায়।

advertisement

ইফতারের আগে উপস্থিত সকলে মিলে দেশের নিরাপত্তা, শান্তি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিদের মধ্যে ছিলেন মেহবুব আলম সালমানি, আইনজীবী নাঈম আহমেদ, সরদার কমলজিৎ সিং নূর, বিনীত কুমার, জুলফিকার আহমেদ, নওশাদ আহমেদ আব্বাসি এবং ড. ফাইয়াজ আহমেদ আনসারি প্রমুখ।বিজনোরের এই ইফতার মাহফিলটি কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি ভারতের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি এবং গঙ্গা-যমুনা তফজিবের এক জীবন্ত উদাহরণ হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।

advertisement

সূত্র: ইনকিলাব

  • সর্বশেষ