শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৬, ০৭:১৩ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরমুজ প্রণালী কী এবং এটি বন্ধ হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে?

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির আধা সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি। শনিবার রাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থানরত জাহাজগুলো ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) থেকে ভেরি হাই ফ্রিকোয়েন্সি (ভিএইচএফ) বেতার বার্তার মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাচ্ছে- এই প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌ মিশনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে একই তথ্য জানিয়েছে। যদিও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো এমন কোনো নির্দেশের কথা নিশ্চিত করেনি।

advertisement

হরমুজ প্রণালী কী?

বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি।  পারস্য উপসাগরে প্রবেশের একমাত্র সামুদ্রিক পথ এই প্রণালি, যার এক পাশে ইরান এবং অন্য পাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত অবস্থিত। এই জলপথ পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর হয়ে আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। 

advertisement

এ প্রণালি বন্ধের প্রভাব

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ—প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল প্রতিদিন এই প্রণালি দিয়ে পরিবহণ করা হয়। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসও এই পথ দিয়ে পরিবহণ করা হয়।

advertisement

বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে।  ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭৩ ডলারে পৌঁছেছে। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রণালি অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। ভারতের ইকুইরাস সিকিউরিটিজও জানিয়েছে, সরবরাহ বিঘ্নিত হলে অপরিশোধিত তেলের দাম ৯৫ থেকে ১১০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। 

ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধের সম্ভাবনা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ