শিরোনাম
◈ বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির খসড়া নীতিমালা নিয়ে আলোচনাকে 'কাল্পনিক ও অসত্য' বলল সরকার ◈ বাংলাদেশে প্রথমবার চালু হচ্ছে ই-ভিসা, ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগে মিলবে ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা ◈ ‘যৌন ডাক্তার’ বলে অপপ্রচার, ফেসবুকে নিজের নামে প্রতারণামূলক ১৬০ বিজ্ঞাপনের অভিযোগ তাসনিম জারার ◈ সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম: তদন্তে উঠে এসেছে যাদের নাম ◈ ৪ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকায় ৮০০ ই-বাস কিনছে সরকার ◈ এবার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ ফিফা সভাপ‌তির বিরুদ্ধে  ◈ অ‌ক্টোব‌রে ব্রা‌জিল ৯০ জনের দল নিয়ে কলকাতায় আসছে! ◈ বাংলাদেশের ব‌্যাটার‌দের আউটের ধরন দে‌খে হতাশ কোচ ‌ফিল সিমন্স ◈ শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কী হবে, প্রত্যর্পণ চুক্তিতে যা আছে ◈ অস্ট্রেলিয়া যেতে ভুয়া মাইগ্রেশন এজেন্টের ফাঁদ, সতর্ক করল হাইক‌মিশন

প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৫:২৫ বিকাল
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ওয়াশিংটনে ট্রাম্প-মামদানি বৈঠক, ১২ হাজার ঘর নির্মাণে ২১ বিলিয়ন ডলার চাইলেন মামদানি

নিউ ইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি সম্প্রতি ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক অঘোষিত ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মেয়র মামদানি নিউ ইয়র্ক সিটির আবাসন সংকট মোকাবিলায় একটি বিশাল পরিকল্পনা পেশ করেন। তিনি কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ডে ১২ হাজার নতুন সাশ্রয়ী ঘর নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং এই প্রকল্পের জন্য ফেডারেল সরকার থেকে ২১ বিলিয়ন ডলার অনুদান চেয়েছেন। 

মামদানির মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে গত ৫০ বছরের মধ্যে এটিই হবে নিউ ইয়র্ক সিটির বৃহত্তম আবাসন ও অবকাঠামো বিনিয়োগ।

বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার ইউনিয়ন কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়। মেয়র মামদানি ট্রাম্পের সামনে একটি প্রতীকি সংবাদপত্রের পাতা প্রদর্শন করেন, যেখানে ‘ট্রাম্প টু সিটি: লেটস বিল্ড’ শিরোনাম দেওয়া ছিল। এটি ১৯৭৫ সালের বিখ্যাত ‘ফোর্ড টু সিটি: ড্রপ ডেড’ শিরোনামের একটি ইতিবাচক পাল্টা রূপ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। 

মেয়রের এই উদ্ভাবনী উপস্থাপনায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেশ উৎসাহ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। যদিও নির্বাচনের আগে ট্রাম্প মামদানিকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছিলেন, তবে বর্তমানে তাদের মধ্যে একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আবাসন প্রকল্প ছাড়াও এই বৈঠকে মানবাধিকার ও অভিবাসন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইস্যু উঠে আসে। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর আটকের বিষয়ে মেয়রের অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিবাচক সাড়া দেন এবং ওই শিক্ষার্থীকে দ্রুত মুক্তির আশ্বাস দেন। দীর্ঘ প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে দুই নেতার মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও নিউ ইয়র্কবাসীর স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। আবাসন খাতের এই বিশাল ফেডারেল বিনিয়োগ শেষ পর্যন্ত অনুমোদিত হবে কিনা, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

সূত্র: দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়