শিরোনাম
◈ টোল কমিয়ে কর্ণফুলী টানেলে যান চলাচল বাড়াতে সরকারের নতুন উদ্যোগ ◈ জামিনে মুক্ত বেনজীর, দেশে ফেরাতে নতুন আইনি চ্যালেঞ্জ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে পারমাণবিক সহযোগিতা পুনরায় শুরু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ◈ টাঙ্গুয়ার হাওরে নতুন বিধিনিষেধ, কোন এলাকা পর্যন্ত চলবে পর্যটকবাহী নৌযান? ◈ আগামী সপ্তাহে খুলছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস লেন ◈ সংবিধানে বড় রদবদলের পথে সরকার, আজ বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০৮ সকাল
আপডেট : ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারে যুবরাজ সালমানের নিষেধাজ্ঞা

সৌদি আরবের যুবরাজ ও কার্যত শাসক মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানকে জানিয়েছেন, তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে সৌদি আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ এ তথ্য জানায়।

দুই নেতার মধ্যে টেলিফোন আলাপে যুবরাজ বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে মতপার্থক্য সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের যে কোনো উদ্যোগকে রিয়াদ সমর্থন করে।

এর আগে ইরানের গণমাধ্যম জানায়, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান যুবরাজকে বলেছেন- আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে যুদ্ধ এড়াতে সহায়ক যে কোনো প্রক্রিয়াকেই তেহরান স্বাগত জানায়।

সৌদি যুবরাজের এই বক্তব্যের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ধরনের অবস্থান জানিয়ে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে তাদের আকাশসীমা বা জলসীমা ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

এদিকে, ইরানকে ঘিরে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনার মধ্যে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, একটি আর্মাডা ইরানের দিকে রওনা হয়েছে, যদিও তিনি আশা প্রকাশ করেন সেটি ব্যবহার করতে হবে না। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ছিল- বিক্ষোভকারীদের হত্যা বন্ধ ও পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু না করার বিষয়ে। তবে দেশজুড়ে চলা বিক্ষোভ পরে অনেকটাই স্তিমিত হয়েছে।

গত সোমবার দুই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও সহায়ক যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এর ফলে মার্কিন বাহিনীকে রক্ষা বা প্রয়োজনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইরানে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো, যাদের মধ্যে পথচারীরাও ছিলেন। সংস্থাগুলোর মতে, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর এটিই সবচেয়ে বড় দমন-পীড়ন। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রবাসী বিরোধীদের মদদপুষ্ট ‘সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজদের’ কারণেই সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়