গাজা যুদ্ধ বন্ধ ও রাফাহ সীমান্ত পুনরায় চালু নিয়ে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার। বৈঠকে রাফাহ সীমান্ত পুনরায় চালুর জন্য নেতানিয়াহুকে আহ্বান জানানো হয়। খবর রয়টার্সের।
স্থানীয় সময় রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দিয়েছে নেতানিয়াহুর কার্যালয়।
ইসরাইল জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবশিষ্ট শেষ ইসরাইলি বন্দির মরদেহ উদ্ধারের অভিযান শেষ হলে গাজার রাফাহ সীমান্ত সীমিত আকারে পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির শুরুতেই রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়ার কথা ছিল। এখন সেটি শুধু মানুষের যাতায়াতের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সব জীবিত বন্দিকে ফিরিয়ে আনা এবং মৃত বন্দিদের খুঁজে বের করে ফেরত দিতে হামাসকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে-এই শর্তে সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি শর্ত অনুযায়ী হামাস এরইমধ্যে সব জীবিত ও একজন (পুলিশ কর্মকর্তা র্যান গিভিলি) মৃত জিম্মির মরদেহ ছাড়া সব ফেরত দিয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, রোববার উত্তর গাজার একটি স্থানে র্যান গিভিলির খোঁজে অভিযান চালিয়েছে। ইসরাইলি সামরিক কর্মকর্তা বলছেন, গিভিলির সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তাদের কাছে ‘বেশ কয়েকটি গোয়েন্দা সূত্র’ রয়েছে।
রোববার হামাস জানায়, তারা ‘সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে’ ইসরাইলি সেনার মরদেহের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে এবং ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী মেনে চলেছে’।
হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডসের মুখপাত্র বলেন, বিষয়টি (বন্দির মরদেহ) দ্রুত শেষ করতে হামাস সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এটা নিয়ে দেরি করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।
সূত্র: যুগান্তর