শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ‘পছন্দ না হলে মাজারে নাও আসতে পারেন, আঘাত-ভাঙচুর গ্রহণযোগ্য নয়’ ◈ জনসভা ছাড়িয়ে নিউজফিড: কেন সামাজিক মাধ্যমই এবারের নির্বাচনের মূল ময়দান ◈ উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই, বেকারত্ব দূর করবো: ডা. শফিকুর রহমান ◈ বিএনপি চাইলে ঢাকা শহরে জামায়াতের কোনো প্রার্থীই রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক হোসেন ◈ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইসির ◈ এক সপ্তাহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ◈ নতুন পে-স্কেল, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি: পরবর্তী সরকার আর্থিক চাপে পড়বে ◈ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির, নিরপেক্ষ কমিটিতে দাবি পাঠানোর অনু‌রোধ

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৪৭ দুপুর
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:৪৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কারাগারেই প্রেম, এবার বিয়ে করতে যাচ্ছেন দুই ভয়ংকর খুনি

কারাগারে শুরু হওয়া প্রেম এখন পূর্ণতা পেত যাচ্ছে, বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন দুজন সাজাপ্রাপ্ত খুনি। রাজস্থান হাইকোর্ট এই খুনি জুটিকে বিয়ের জন্য ১৫ দিনের জরুরি প্যারোল মঞ্জুর করেছেন।

কনে প্রিয়া শেঠ ওরফে নেহা শেঠ এবং বর হনুমান প্রসাদ আজ শুক্রবার আলওয়ারের বারোদামেভে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হবেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের এমন বিয়ে নিয়ে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভারতের রাজস্থানের একটি কারাগারে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন হত্যামামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত এই নারী ও পুরুষ। প্রায় ছয় মাস আগে সাঙ্গানের ওপেন জেলেই প্রথম দেখা হয় প্রিয়া ও হনুমানের। সেখান থেকেই আলাপ এবং পরবর্তী সময় প্রেমের শুরু। দুজনেই দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও জীবনসঙ্গী হিসেবে একে অপরকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

এরপর বিয়ের অনুমতির জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন তারা।
প্রিয়া শেঠ একজন মডেল। ২০১৮ সালের মে মাসে টিন্ডার অ্যাপের মাধ্যমে দুষ্যন্ত শর্মা নামের এক যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি। উদ্দেশ্য ছিল অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়।

প্রিয়া ও তার তৎকালীন প্রেমিক মিলে দুষ্যন্তের বাবার কাছে ১০ লাখ রুপি দাবি করেন। পরিবার ৩ লাখ রুপি দিলেও পুলিশের হাতে ধরা পড়ার ভয়ে প্রিয়া ও তার সহযোগীরা মিলে দুষ্যন্তকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। পরিচয় গোপন করতে তার মুখে অসংখ্য ছুরিকাঘাত করা হয় এবং মরদেহটি একটি সুটকেসে ভরে আমের পাহাড়ে ফেলে দেওয়া হয়। এই মামলায় প্রিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সাঙ্গানের ওপেন জেলে সাজা খাটছেন।

অন্যদিকে, হনুমান প্রসাদও ৫টি হত্যা করেছেন। হানুমান প্রাসাদ তার সাবেক প্রেমিকার স্বামী ও সন্তানদের হত্যা করেন। তার প্রেমিকা সন্তোষ আলওয়ারের একজন তায়কোন্ডো খেলোয়াড় ছিলেন। প্রেমিকা সন্তোষের স্বামী বনওয়ারী লালকে পশু জবাইয়ের ছুরি দিয়ে হত্যাকরে। এ সময় ঘুমন্ত তিন সন্তান এবং এক ভাতিজাও জেগে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শী সরিয়ে দিতে হনুমান চার শিশুসহ মোট পাঁচজনকে নির্মমভাবে সেদিন হত্যা করেন। সূত্র : এনডিটিভি

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়