শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপের অনুশীলনে ঘাসের মধ্যে বিষধর কপারহেড সাপ, আতঙ্কে জার্মান ফুটবল দল ◈ বড় বিনিয়োগে বদলাচ্ছে পতেঙ্গা টার্মিনাল, আসছে ৩০ মিলিয়ন ডলারের চার এসটিএস ক্রেন ◈ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নকআউটে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:২২ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আরও এক দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত নাজিব রাজাক

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক আবারও দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। বহুল আলোচিত রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল ১-এমডিবি কেলেংকারি সংক্রান্ত আরেকটি মামলায় শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট তাকে দোষী ঘোষণা করেন। এটি নাজিবের বিরুদ্ধে ১-এমডিবি সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় বড় মামলার রায়।

৭২ বছর বয়সি নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে এ মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহারের চারটি এবং অর্থপাচারের ২১টি অভিযোগ আনা হয়েছিল। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়- তিনি ১-এমডিবি থেকে প্রায় ২২০ কোটি মালয়েশীয় রিঙ্গিত; যার পরিমাণ প্রায় ৫৩ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার— অবৈধভাবে স্থানান্তর করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা আদালতে জানান, এক দশকেরও বেশি আগে প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং ১-এমডিবির উপদেষ্টা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নাজিব নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। সেই সময় তিনি মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ তহবিল থেকে বিপুল অর্থ সরাসরি নিজের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবগুলোতে স্থানান্তর করেন বলে অভিযোগ উঠে।

এর আগে ২০২০ সালে ১-এমডিবির প্রায় ৯৯ লাখ ডলার তহবিল আত্মসাতের দায়ে নাজিব রাজাক দোষী সাব্যস্ত হন। ওই মামলায় তাকে ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যার কার্যকারিতা শুরু হয় ২০২২ সাল থেকে। পরে তার সাজা কমিয়ে ছয় বছর করা হয়।

বর্তমান মামলাটি নাজিবের বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর মধ্যে দ্বিতীয়টিতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনা। বিশ্লেষকদের মতে, এটি এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মামলা। কারণ এতে সরাসরি ১-এমডিবি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং অত্যন্ত বড় অঙ্কের অর্থ জড়িত ছিল।

এ মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া চলে প্রায় সাত বছর। শুনানিকালে নাজিবসহ মোট ৭৬ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মালয়েশিয়া বিষয়ক সম্মানসূচক গবেষণা সহযোগী ব্রিজেট ওয়েলশ বলেন, এ মামলায় একাধিকবার বিলম্ব হয়েছে এবং বিষয়টি সাধারণ মানুষের জন্য বোঝা অত্যন্ত জটিল।

আল–জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওয়েলশ আরও বলেন, এসব আর্থিক অপরাধ ছিল বহুস্তরবিশিষ্ট এবং পুরো বিচারিক প্রক্রিয়াটি ছিল দীর্ঘ ও বিস্তৃত। সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়